আজ (মঙ্গলবার, ৫ মে) দুপুরে সুনামগঞ্জের সার্কিট হাউসে জেলা পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমি দেখে আসছি কৃষকরা ধান কাটছে। আপনারা আমাকে ক্ষেতে নামান, দেখবেন আমিও কারো থেকে কম নই। আমি অরিজিনাল জাত কৃষক।’
এদিকে, একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, ‘কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে সেটা মেনে নেয়া যায় না। অভিযোগ এসেছে ফসল রক্ষা বাঁধের নামে পানি উন্নয়ন বোর্ড অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ করে। ফলে কৃষকদের নানা সমস্যায় পড়তে হয়। আমাদের এমন কিছু খুঁজে বের করতে হবে, যাতে কৃষকদের কোনো সমস্যায় না পড়তে হয়।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘সুনামগঞ্জ এক ফসলি অঞ্চল। এ ফসল ঘরে তুলতে পারলে কৃষকদের সারাবছর চলে। সেই ফসল যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেভাবে প্রকল্প তৈরি করার ব্যবস্থা করেন। শুধু ঠিকাদার পোষার জন্য আর টাকা এদিক-সেদিক করার জন্য যাতে আর অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করা না হয়।’
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
এরপর কৃষিমন্ত্রী ও ত্রাণমন্ত্রী ভারী বৃষ্টিপাতে হাওরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০০ কৃষকদের মধ্যে ২০ কেজি করে চাল ও নগদ টাকা বিতরণ করার কথা রয়েছে।





