
পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে ময়মনসিংহ-শেরপুরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারি বর্ষণে ময়মনসিংহ ও শেরপুরে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। স্থানীয় নদ-নদীর পানি বাড়ায় ময়মনসিংহে হালুয়াঘাট উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের হাজারও মানুষ পানি-বন্দি হয়ে পড়েছে।

পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হালুয়াঘাটের নিম্নাঞ্চল, পানিবন্দি হাজারো মানুষ
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে বোরাঘাট নদীর বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। স্থানীয় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের বেঁশকয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে কৃষিজমি ও বসতবাড়ি। তলিয়ে গেছে বোরো ধান।

পাহাড়ি ঢলে ভাসছে নেত্রকোণার হাওর: তলিয়ে গেছে ১০ হাজার হেক্টর পাকা ধান
উজানের পাহাড়ি ঢল আর টানা বর্ষণে ভাসছে নেত্রকোণার হাওড়া অঞ্চল। চোখের সামনে তলিয়ে যাচ্ছে মাইলের পর মাইল সোনালি ধানের ক্ষেত। বিশেষ করে জেলার খালিয়াজুরী, মদন ও মোহনগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো পাকা ধানের জমি পানির নিচে।

বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল: হাওরের কৃষিতে অশনিসংকেত, খাদ্য সংকটের আশঙ্কা
টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে যখন মাথায় হাত হাওরের কৃষকদের, তখন দুশ্চিন্তা আরো বাড়িয়েছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস। বলছে, ৪ মে পর্যন্ত এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকাসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অনেক জেলায় রয়েছে বন্যা পরিস্থিতি তৈরির শঙ্কা। কৃষি অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অবস্থার দ্রুত উন্নতি না হলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে খাদ্য নিরাপত্তায়। আর জমিচাষে আগ্রহ হারাবে হাওরের কৃষকরা। তাই, দীর্ঘমেয়াদে সংকট সমাধানে হাওরভিত্তিক পরিকল্পনা হাতে নেয়ার পরামর্শ তাদের।

সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে বাঁধ ভেঙে ডুবছে ফসল
সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে বাঁধ ভেঙে কিছু বোরো জমির ফসল পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। আজ (বুধবার, ২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলায় পাহাড়ি ঢল নামলে বৌলাই নদীর পানির চাপে ঝিনারিয়া হাওরের বাঁধটি ভেঙে যায়।

পানির নীচে সাজেক-বাঘাইহাট সড়ক, আটকা ৬শ' পর্যটক
বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের মাচালং বাজার এলাকা তলিয়ে গেছে। এতে বন্ধ হয়ে গেছে সড়ক যোগাযোগ। যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সড়কের দুইপ্রান্তে আটকা পড়েছে প্রায় ৬শ' পর্যটক। আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে।

পাহাড়ি ঢলে পানি বাড়ায় রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতুতে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানিতে ৪ ইঞ্চি তলিয়ে গেছে রাঙামাটির পর্যটনের আইকন ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন। এমন পরিস্থিতিতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সেতু ভ্রমণে আজ (বুধবার, ৩০ জুলাই) সকালে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে নোটিশ টানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা ক্ষোভ ও হতাশা জানিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। প্রতি বছর সেতু ডুবে যাওয়া রোধে সেতুটি আরও উঁচুতে স্থাপনের দাবি জানিয়েছে দর্শনার্থীরা। এতে দৈনিক ২০-৩০ হাজার টাকা রাজস্ব আয় বঞ্চিত হবে সরকার।

ফের ডুবতে শুরু করেছে ফেনীর উত্তরাঞ্চল
ফেনীর পরশুরামে কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ফুঁসে উঠছে মুহুরী নদীর পানি। বাঁধের ভাঙা স্থান দিয়ে ঢুকছে বানের পানি। ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হচ্ছে জনপদ। ডুবতে শুরু করেছে পরশুরামের পশ্চিম অলকা, পূর্ব অলকা, নোয়াপুর ও চিথলিয়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম। ঢুকছে ফুলগাজীর কিছু এলাকাতেও।

ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, মোকাবেলায় প্রস্তুত সেনাবাহিনী
ফেনী জেলায় টানা ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে ফেনী জেলার ফুলগাজী ও পরশুরাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) জেলা প্রশাসক, ফেনী এর তত্ত্বাবধানে বন্যা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে সেনাবাহিনীর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে আলোচনা হয়।

পাকিস্তানে টানা বৃষ্টিতে বন্যা; ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক বাড়িঘর
পাকিস্তানে ২৬ জুন থেকে চলমান একটানা বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। খাইবার পখতুনখোয়া, পাঞ্জাব, সিন্ধু আর বেলুচিস্তানে হয়েছে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি। এসব এলাকায় কমপক্ষে ৬৬টি বাড়িঘর সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় দেড়শো।

ভারতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে কমপক্ষে দুইজনের প্রাণহানি
ভারতের উত্তরাখন্ডে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে প্রাণ গেছে কমপক্ষে দুইজনের। নিখোঁজ সাতজন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে স্থগিত করা হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের চার ধাম যাত্রা।

টানা বর্ষণে বান্দরবানের সুয়ালক-লামা সড়কে ধস, বন্ধ ভারী যান চলাচল
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ধসে গেছে বান্দরবানের সুয়ালক-লামা সড়কের কিছু অংশ। এতে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। বন্ধ রয়েছে ভারী যান চলাচল। সড়কের একাংশ ধসে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে সিএনজি, মোটরসাইকেলের মতো ছোট যানবাহন।