আজ (শনিবার, ৭ মার্চ) সকালে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে যান এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘর-বাড়ি পরিদর্শন করেন।
এসময় তিনি ভুক্তভোগীদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেন এবং তাদের সাহস ও সান্ত্বনার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে ১৫০টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। এর মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের জন্য ৩ হাজার টাকা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যের প্যাকেজ নিশ্চিত করা হয়।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণকালে এ সংসদ সদস্য বলেন, ‘এটি কেবল শুরু, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে আমাদের এ মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘ভোট দেয়া নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। কেউ তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়ার কারণে হামলার শিকার হবে—এটি কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ জনপদ চাই। নির্বাচনি এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে হলে আমাদের সবাইকে সহনশীল হতে হবে। আমি চাই প্রতিটি মানুষ যেন তাদের পরিবার নিয়ে নির্ভয়ে ও শান্তিতে ঘুমাতে পারে।’
সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এরই মধ্যে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।’
এছাড়া অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আহ্বানও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যশোর-২ আসনের ঝিকরগাছায় ১০০ ও চৌগাছার ৫০টি পরিবার বিভিন্ন ধরনের হামলা ও ক্ষতির সম্মুখীন হয়।





