প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, উন্নয়ন সহযোগী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে, যাতে কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে না থাকে।’
পরিদর্শনের সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও শিক্ষাজীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা শোনেন। এ সময় তিনি ইউনিসেফ ও ব্র্যাক পরিচালিত তিনটি লার্নিং সেন্টার ঘুরে দেখেন।
এছাড়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রী। লার্নিং সেন্টারের শিক্ষকরা শিক্ষাদান কার্যক্রম পরিচালনায় বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, শিক্ষাসামগ্রীর ঘাটতি এবং প্রশিক্ষণসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের বিষয়গুলো তার সামনে তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন:
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রতিটি শিশুরই স্বপ্ন দেখার অধিকার রয়েছে। মানবিক সংকটের মধ্যেও শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা শুধু জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম নয়, এটি একটি প্রজন্মকে সহিংসতা, হতাশা ও অন্ধকার ভবিষ্যৎ থেকে দূরে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।’
লার্নিং সেন্টারগুলোতে মিয়ানমার কারিকুলাম অনুসরণ করে মিয়ানমার, ইংলিশ, ম্যাথ, জিওগ্রাফি, হিস্ট্রি ও সাইন্স এ ছয়টি বিষয়ে গ্রেড-১২ পর্যন্ত পাঠদান করা হয়।
পরিদর্শনকালে ইউনিসেফের চিফ অব এডুকেশন দীপা সরকার, এডুকেশন ম্যানেজার লুইজ লিক, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ব্র্যাকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজার সদরের লিডারশীপ ট্রেনিং সেন্টারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত প্রকল্প ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাডভান্সড আইসিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন।





