এক পর্যায়ে তারা সরে যেতে বাধ্য হয়। কিছু সময়ের জন্য সীমান্তে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুখোমুখি অবস্থান নেয় বিজিবি বিএসএফ। খানিক পরেই পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসে।
এদিকে তিন দিন ধরে কোনো সমাধান না হওয়ায় খোলা আকাশের নিচেই রোদ বৃষ্টি ঝড় মাথায় নিয়ে চরম কষ্টে দিন পাড় করছেন পুশইনের শিকার ১০ জন। সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন শিশুরা। দ্রুত বিষয়টি সমাধানের তাগিদ ভুক্তভোগীসহ স্থানীয়দের।
গত শুক্রবার ভোর ৪টায় তাদের ওই সীমান্ত দিয়ে পুশইন করার চেষ্টা করে বিএসএফ। কিন্তু সীমান্তের নোম্যান্সল্যান্ডে তাদের আটকে দেয় বিজিবি। তারপর থেকেই তারা সেখানেই অবস্থান করছেন।
আরও পড়ুন:
এদিকে এ বিষয়ে বিজিবি ও বিএসএফের তিন দফা পতাকা বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয় নি। তাদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ৩ জন শিশু রয়েছে।
এদিকে ভারতে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পরে এ প্রথমবারের মতো পুশইনের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
বিজিবির পঞ্চগড় ঘাগড়া কোম্পানি কমান্ডার আলী আজাদ বলেন, ‘১০ জন সীমান্তের নোম্যান্সল্যান্ডে আছে। বিএসএফ তাদের ফেরত নেয়ার বদলে আজ আবারও ঠেলে দেয়ার চেষ্টা করলে আমরা কঠোর জবাব দিয়েছি। কড়া ভাষায় জানিয়ে দিয়েছি তাদের এমন আচরণ মেনে নেয়া হবে না। পরে তারা পিছু হটেছে।’
তবে সমাধানের বিষয়ে আশানুরূপ কোনো তথ্য দিতে পারেন নি তিনি।





