যশোরে যুবককে পিটিয়ে-কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, যশোর
এখন জনপদে
0

যশোরের চৌগাছায় রাজনৈতিক বিরোধের জেরে জুয়েল আহমেদ রানা নামের এক যুবককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। আজ (বৃহস্পতিবার, ১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ মোড়ে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে।

নিহত জুয়েল রানা মুক্তদাহ গ্রামের ওয়াদুদ খন্দকারের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে সকালে মুক্তদাহ মোড়ে জুয়েল রানার সাথে প্রতিপক্ষের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে একই গ্রামের ইউসুফ, কাশেম এবং স্থানীয় নজরম মেম্বারের ছেলে বাবু ও সুমনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন দেশিয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা জুয়েলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে এবং পিটিয়ে দুই পায়ের হাঁটুর নিচ থেকে ভেঙে দেয়।

নিহতের স্ত্রী মায়া বেগম অভিযোগ করেন, সকালে তিনি তার মেয়েকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় তার স্বামী স্থানীয় মোড়ে চা খেতে যান। হামলাকারীরা তাকে (স্ত্রীকে) একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে তার স্বামীর ওপর এই বর্বরোচিত হামলা চালায়।

আরও পড়ুন:

গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা জুয়েলকে উদ্ধার করে প্রথমে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোবাশ্বের হোসেন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জুয়েল রানাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

বর্তমানে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চৌগাছায় হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের আটকে অভিযান চলছে।

এসএইচ