এর আগে, গত ৩১ আগস্ট রাতে জামালপুর সদর উপজেলার লাহেরীকান্দা এলাকায় রাজিব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সার সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ৪ জনের মৃত্যু হয়। এসময় আহত হয় আরও অন্তত ১৬ জন।
রাজিব পরিবহনের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা অভিযোগ তোলেন, জামালপুর-ময়মনসিংহ-ঢাকা রুটে এ পরিবহনের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে থাকে এবং এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটে। তাদের দাবি, বারবার প্রশাসনকে অভিযোগ করেও এর কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
তাই গতকাল (বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকায় স্থানীয়রা রাজিব পরিবহনের রোড পারমিট বাতিল ও বাস চলাচল বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন।
এদিকে বিক্ষোভকালে ঢাকা ও জামালপুরগামী রাজিব পরিবহনের দু’টি বাস থামিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দেন এবং নান্দিনা পূর্ববাজার খেলার মাঠে নিয়ে বাস দু’টি ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ বাসমালিকদের।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আজ সকাল ৬টা থেকে জামালপুর বাস পরিবহন মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠন জামালপুর থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়। এতে সাধারণ যাত্রীরা পড়েন চরম দুর্ভোগে।
এ ব্যাপারে জামালপুর বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শুভ জানান, বাস-মিনিবাস মালিকদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে ১১টি দাবি উপস্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজ্রিস্টেট একেএম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া আল মামুনসহ আরও অনেকে।





