স্থানীয় বাসিন্দা আল-মামুন হোসেন বলেন, ‘চরাঞ্চলের একটি ইউনিয়নে আমাদের বসবাস। এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা অনেকটাই সীমিত এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও তুলনামূলকভাবে কম। বিশেষ করে এলাকার বেকার যুবকদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি করা বেশ কঠিন। ফলে অনেক যুবককে বেকার অবস্থায় থাকতে হয়। বিজিবির উদ্যোগে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজ ওয়ারিংয়ের মতো কারিগরি প্রশিক্ষণের আয়োজন আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
আবু সাঈদ নামে এক যুবক বলেন, ‘প্রশিক্ষণ শেষে আমরা নিজেরা কাজ করতে পারব। চাইলে অন্যদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবো। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে বিজিবির পক্ষ থেকে এ ধরনের আরও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে। এতে সীমান্ত এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান বাড়বে এবং তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারবো।’
বিজিবি জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে তারা। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বেকার যুবকেরা কারিগরি দক্ষতা অর্জন করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি তারা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার সুযোগ পাবেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে অনেক যুবক রয়েছেন, যারা বেকারত্বের কারণে কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের যুবকদের জন্য কাজের সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম। তাই বেকার যুবকদের কর্মমুখী করে তুলতে এবং তাদের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই বিজিবির পক্ষ থেকে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজ ওয়ারিংয়ের মতো কারিগরি প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা ভবিষ্যতে নিজেরাই কাজ করতে পারবেন এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবেন। আমরা আশা করি, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকেরা দক্ষ হয়ে স্বাবলম্বী হবেন।’





