হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। দেবী দুর্গার আগমন ঘিরে তাই ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা। চলছে সাজসজ্জা ও মণ্ডপ তৈরির কাজ। দেবী দুর্গার সঙ্গে তৈরি হচ্ছে কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর প্রতিমাও। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি মন্দিরে সিসি ক্যামেরা এবং পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে রাতদিন পরিশ্রম করছেন প্রতিমা শিল্পীরা।
প্রতিমা কারিগররা জানান, প্রতিমার যে চাহিদার তুলনায় দাম ঐভাবে পাচ্ছে না বলেন তারা। নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন পূজারীরা। পূজারীরা জানান, সব কিছু ভালোভাবে হোক। আর নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেন ভালো।
পূজা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি।
আরও পড়ুন
ফেনী জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট সমীর কর বলেন, ‘সকল স্তরের প্রশাসনের কর্মকর্তা, পলিটিক্যাল লিডাররা ছিলো। পূজা সুন্দর-সুষ্ঠু হবে এবং আমরা শারদীয় শুভেচ্ছা সবাইকে।’
দুর্গোৎসব ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। জেলার সুশীল সমাজ ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করা হবে-বলে জানান ফেনীর পুলিশ সুপার।
ফেনী জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেন, ‘কোনো দুষ্কৃতী নাশকতা না করতে পারে, এর জন্য স্থানীয়ভাবে প্রত্যেকটা পূজা কমিটিকে তাদেরকে নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের যে বিটের পুলিশ আছে, তারাও কাজ করছে।’
এবার ফেনী জেলায় ১৫৩টি পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। গত বছর ছিল ১৪৯টি। ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মাধ্যমে শেষ হবে দুর্গোৎসব। নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন হবে—এমনটাই প্রত্যাশা দেবীভক্তদের।





