
বর্ষার প্রথম দিন আজ
কালো মেঘের আনাগোনা আর বৃষ্টির মৃদু সুরে প্রকৃতি জানিয়ে দিচ্ছে আষাঢ়ের আগমন। বাংলা বর্ষপঞ্জির তৃতীয় মাস আষাঢ়ের প্রথম দিনেই শুরু হলো বর্ষা—তপ্ত গ্রীষ্মের ক্লান্তি মুছে এনে দিল স্বস্তি, সবুজের উচ্ছ্বাস আর বাঙালির চিরচেনা আবেগের ঋতু।

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী বৃষ্টিবলয়: যে ৪ বিভাগে বেশি সক্রিয় থাকবে
চলতি জুন মাসেই সারা দেশে সক্রিয় হতে যাচ্ছে বছরের প্রথম শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদী বর্ষাকালীন বৃষ্টিবলয় (First monsoon rain circle of the year)। আগামী ১৮ জুন থেকে শুরু হয়ে অন্তত ১২ দিন এই বৃষ্টিবলয় দেশজুড়ে সক্রিয় থাকতে পারে। এর প্রভাবে দেশের চারটি বিভাগের অধিকাংশ জেলায় রেকর্ড পরিমাণ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে (Powerful Rain Circle Approaching: Heavy Rain Warning for 12 Days in 4 Divisions)।

চট্টগ্রামে দুই দিনের জলাবদ্ধতায় পুঁজি হারিয়ে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা
চট্টগ্রামে দুই দিনের জলাবদ্ধতায় বড় আর্থিক ক্ষতির ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আর উদ্যোক্তারা। পানিতে তলিয়ে কেউ হারিয়েছেন সারা জীবনের পুঁজি, কেউ বা মালামাল, পণ্য হারিয়ে দিশেহারা। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানিতে নষ্ট হয়েছে শত শত দোকানের পণ্য। পানি নামলে বৃহস্পতিবার স্পষ্ট হয় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। দোকানিদের দাবি, শুধু প্রবর্তক ও মেডিকেল সড়কেই ক্ষতির পরিমাণ হবে ৪-৫ কোটি টাকা। প্রতিবছর জলাবদ্ধতায় এভাবে নগরবাসী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লেও এ নিয়ে কোনো গবেষণা বা সহায়তা পান না তারা। খোঁজ নেয় না কোনো সংস্থা।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তর সিটিতে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু
বর্ষাকে সামনে রেখে ডেঙ্গুর আবির্ভাব রুখতে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। যার অংশ হিসেবে রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ ক্যাম্পাসে আজ (শনিবার, ২৮ মার্চ) এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন।

বর্ষায় জীবন্ত চলনবিলে প্লাস্টিক দূষণে জীববৈচিত্র্য হুমকিতে
বর্ষা এলেই জীবন্ত হয়ে ওঠে চলনবিল। জলাভূমির অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভিড় জমান দর্শনার্থীরা। কিন্তু প্রকৃতির এ রূপের আড়ালেই দেখা গেছে উল্টো চিত্র। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে প্লাস্টিক বর্জ্য, যা ধ্বংস করছে বিলের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

বাঘাইছড়িতে জলাবদ্ধতায় ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ; স্থায়ী বাঁধ ও পানিস্তর পুনঃনির্ধারণের দাবি
জলাবদ্ধতার অসহনীয় দুর্ভোগে রাঙামাটির বাঘাইছড়ির উপজেলার ৫০ গ্রামের ৩০ হাজার মানুষ। উজানের ঢলে বর্ষা মৌসুমের এ জলাবদ্ধতা স্থায়ী হয় বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত। ডুবে থাকে ২০ হাজার একরের বেশি ফসলি জমি। আবার শুষ্ক মৌসুমে এ পানির সংকটেই বন্ধ হয়ে পড়ে চাষাবাদ। এমন পরিস্থিতিতে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর পুনঃনির্ধারণ ও পানির প্রবেশ পথে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের।

শরতের বৃষ্টিতে তলিয়ে ঢাকা, দুর্ভোগে শ্রমজীবী মানুষ
বর্ষা শেষে শরতের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ঢাকা শহর, ভাটা পড়েছে রাতে আধারে জীবন যুদ্ধে নামা শ্রমজীবী মানুষের রোজগারে। জলাবদ্ধতাও ফিরেছে তার পুরনো রূপে।

টানা বর্ষণে দ্বিতীয়বার বন্যার কবলে ভারত
গেলো কয়েকদিনের টানা বর্ষণে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে চলতি বর্ষা মৌসুমে দ্বিতীয়বারের মতো বন্যার পানিতে ডুবছে আসাম। গেলো ২৪ ঘণ্টায় প্রদেশটিতে সৃষ্ট দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত দুইজন।

ডেঙ্গুর হটস্পট বরগুনা: আইসিইউ-সিসিইউ সংকটে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি
ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত জেলা বরগুনায় নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে আক্রান্তের সংখ্যা। পাশাপাশি দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর তালিকা। এখনো আইসিইউ, সিসিইউ ইউনিটের সংকট থাকায় ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা। এদিকে সংকট কাটিয়ে ডেঙ্গুর নতুন স্রোত মোকাবিলায় পদক্ষেপের আশ্বাস প্রশাসনের।

ডেঙ্গু আক্রান্তের পাঁচ ভাগের এক ভাগই শিশু, মৃত্যুহার ১৪ শতাংশের বেশি
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ১২ হাজার ৮০০ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩ হাজার ৫৫৯ জনের বয়স ১৫ বছরের নিচে। অর্থাৎ, আক্রান্তদের প্রায় ২২ শতাংশই শিশু। চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের ডেঙ্গু চিকিৎসা তুলনামূলকভাবে জটিল এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ। এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে শিশুদের মৃত্যুহার দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ১২ শতাংশ।

বৃষ্টির সঙ্গে বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ; জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কার্যকর উদ্যোগ জরুরি
বৃষ্টি বাড়ছে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বর আক্রান্তের হারও। ইতোমধ্যে ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন শতাধিক। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সামনের দিনগুলো হতে পারে আরও ভীতির। একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মশক নিধনে কার্যকর উদ্যোগ নেবার আহ্বান তাদের।

ঝালকাঠি শহরের শতবর্ষী বড় বাজারে অবকাঠামোগত ঝুঁকি, বর্ষায় ভোগান্তি
ঝালকাঠি শহরের শতবর্ষী বড় বাজারের অবকাঠামো দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি। বর্ষার সময়ে নিষ্কাশন ড্রেন বন্ধ থাকায় বাজারের ভিতরে জমে থাকে নোংরা পানি। পুরোনো ছাঁদ থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা, যা দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এসব ঝুঁকি এবং ভোগান্তির মধ্যেই প্রতিদিনের বেচাকেনা চলছে।