আজ (শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে। এর আগে, গতকাল (শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর সদর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভুক্তভোগী গৃহবধূকে তার বাবার বাড়িতে আসামি জনি ও আল আমিন ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে ধারণ করা সেই ভিডিও আসামিরা অন্যত্র স্থানান্তর করে। এরপর থেকেই আসামিরা ওই নারীকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে।
আরও পড়ুন:
আরও জানানো হয়, পরবর্তীতে গত ২ আগস্ট আরেক আসামি মাহবুব আলম তার মোবাইলফোনে থাকা ভিডিও গৃহবধূকে দেখিয়ে পাঁচলাখ টাকা দাবি করে এবং টাকা না দিলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়।
এ ঘটনায় গত ২০ আগস্ট ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে রাণীশংকৈল থানায় একটি সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফির মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে আছেন।
পরবর্তীতে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে র্যাব-১৩ এবং র্যাব-১ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল শুক্রবার রাত ৯টায় গাজীপুর মহানগরীর সদর থানাধীন ভাওরাইদ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার আসামিকে রাণীশংকৈল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।




