আইরিনা অধিবেশনে বাংলাদেশ; নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রতিশ্রুতি

পরিষেবা
অর্থনীতি
0

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি এজেন্সির (আইরিনা) অধিবেশনে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। আইরিনার কার্যক্রম দেশের বিদ্যুৎ খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইরিনার ১৬তম অধিবেশনে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। সরকারের পক্ষ থেকে স্থায়ী সদস্য হিসেবে অংশ নিয়ে প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের গুরুত্ব তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।

২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ ও ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ তৈরিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি। সেক্ষেত্রে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রয়োজন হবে বলেও জানান রাষ্ট্রদূত।

আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, ‘আমরা রিনিউয়েবল এনার্জি এজেন্সিতে গতবছর যে কমিটমেন্ট দিয়েছিলাম, এর আগের বছরগুলোতে যে কমিটমেন্টগুলো দিয়েছিলাম, সেগুলো আমরা কতটুকু ইমপ্লিমেন্ট করতে পেরেছি এবং কী কী বিষয়ে আমাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে সেগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। এসব ব্যাপারে আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের যেসব এক্সপেরিয়েন্স আছে সেসব আমরা একে অপরের সঙ্গে শেয়ার করেছি।’

আরও পড়ুন:

আবুধাবিতে ১০ থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী রেজাও অংশ নেন। আইরিনার কার্যক্রম দেশের বিদ্যুৎ খাতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উল্লেখ করে আমিরাত থেকে এ খাতে বড় বিনিয়োগের আশা করেন তিনি।

কে এম আলী রেজা বলেন, ‘ব্যাপক কার্যক্রম আমরা হাতে নিয়েছি। আন্তর্জাতিক যেসব পার্টনার রয়েছে তাদের সঙ্গে কোলাবেরেশন করছি। তাদের সহযোগিতা নিয়ে বিদ্যুৎ সেক্টরে রিনিউয়েবল এনার্জির অংশটা আরও কীভাবে বৃদ্ধি করা যায় তা নিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি।’

এর আগে অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা একাধিক দ্বিপাক্ষিক সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ক নানাবিধ আলোচনা করেন। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক এই সংস্থার ১০০ তম সদস্য হিসেবে ২০০৯ থেকে যাত্রা শুরু করে।

এসএস