আইজা শহরের রেনউইক মোড় এলাকার মমিনের মেয়ে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম।
তিনি জানিয়েছে, গত চারদিন ধরে শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো তিনজনে। রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে হামের রোগীদের জন্য আলাদা কর্নার করা হলেও অনেককে সাধারণ শিশু ওয়ার্ডেও চিকিৎসা দিতে হচ্ছে, সৃষ্টি হয়েছে শয্যা সংকটও।
আরও পড়ুন:
জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত জেলায় তিনশোর বেশি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৭৫জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শ্বাসনালীর মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন:
কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, ‘হামের টিকা পর্যাপ্ত না থাকায় পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় সব হাসপাতালে পৃথক “হাম আইসোলেশন কর্নার” চালু করা হয়েছে।’
টিকা পাওয়া মাত্রই দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।





