জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে এসে রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের নজির আছে অনেক। কিন্তু সেই চেনা চিত্রে ব্যতিক্রম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের ইচ্ছা থাকলেও, বিপুল ব্যয়ের কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকারি অর্থ খরচ করে কোনো আয়োজন করতে রাজি নন তিনি।
বিএনপির সদস্য জাতীয় নির্বাহী কমিটি জিল্লুর রহমান জিল্লু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রবাসীদের সঙ্গে মিট অ্যান্ড গ্রিট হবে। সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর খরচে। কিন্তু পরবর্তীতে উনি এখানকার এক্সপেন্স দেখা বললেন না উনি খুব কৃচ্ছ্রতা সাধন করেন। উনি সিদ্ধান্ত নিলেন না উনি এতো টাকা পয়সা নষ্ট করতে পারবেন না।’
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরও জানান, অতীতে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা নিজেদের খরচে সভা করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নিউ ইয়র্ক সফর উপলক্ষ্যে নিজেদের অর্থায়নে প্রবাসীদের সঙ্গে সুধী সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া যখনই এসেছেন তার অনুসরণ করেছি এবং আনুষঙ্গিক সমস্ত খরচ আমরাই বহন করেছি। আমরা দলের নেতাকর্মীরাই আমাদের পকেট থেকে দিয়ে বহন করেছি।’
এদিকে, প্রবাসীদের সঙ্গে সুধী সমাবেশের পাশাপাশি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি থাকছে প্রধানমন্ত্রীর এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফরে। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ ছাড়াও আছে একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। তবে, এই সফরের অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের হাইপ্রোফাইল বৈঠক- এমনটাই জানাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতারা।
তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তা সেখানে মিটিং হবে। পরবর্তীতে তিনি ব্যবসায়ী মিটিং করবেন এবং সিলিকন ভ্যালিতে যাবেন। সেটা হোয়াইট হাউস নির্ধারণ করবে যেহেতু তারা স্বাগতিক দেশ। নির্ধারণ করে সম্ভবত এটা নিউ ইয়র্কেই হবে।’
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক আসার কথা রয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর।





