এদিকে গতকাল (সোমবার, ১২ জানুয়ারি) পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৬৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা।
ইরানে অর্থনৈতিক দুরাবস্থার জেরে শুরু হওয়া বিক্ষোভ অল্প সময়ের ব্যবধানে পরিণত হয় সরকারবিরোধী আন্দোলনে। কিছুতেই বিক্ষুব্ধ জনগণকে শান্ত করতে পারছে না সরকার। বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা।
দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৬ শতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা। আর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা এইচআরএএনএ বলছে, ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে ইরান।
আরও পড়ুন:
সহিংস এই পরিস্থিতির বিপরীতে এদিন, সর্বোচ্চ নেতা খামেনি'র সমর্থনে সমাবেশের খবর প্রচার করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
তবে বিক্ষোভের জেরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও রেষারেষির পর্যায়ে চলে গেছে। তেহরানের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে এবার ইরানের বাণিজ্য অংশীদার দেশগুলোর পণ্যে ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বসানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জানিয়েছেন, কূটনৈতিক সমাধানকে প্রধান্য দিলেও, সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা বাদ দিচ্ছে না হোয়াইট হাউজ।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, পারস্পারিক শ্রদ্ধার জায়গা থেকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত তেহরান। তবে, বিক্ষোভে সহিংসতার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে দায়ী করছেন তিনি।
এদিকে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, বিকল্প হিসেবে ইরানে সামরিক, সাইবার এমনকি মনস্তাত্ত্বিক হামলার সম্পর্কে ট্রাম্পকে অবহিত করেছেন মার্কিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। পাশাপাশি ইরানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।





