বিক্ষোভ উত্তেজনার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের উস্কানিকে প্রথম থেকেই দায়ী করে আসছে ইরান। এমনকি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য বিদেশে একদল সন্ত্রাসীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে পাঠানো হয়েছে বলেও অভিযোগ আছে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের।
এরইমধ্যে আটক বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করায় ইরানে হামলার ব্যাপারে ট্রাম্প নমনীয়তার আভাস দিলেও নিরাপত্তা ইস্যুতে তৎপরতা আরও বাড়িয়েছে তেহরান। বিশেষ অভিযানের আওতায় মোসাদ প্রশিক্ষিত দুইজন সন্ত্রাসীসহ ৬০ হাজার অস্ত্র জব্দের কথা জানিয়েছে ইরানের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কমান্ড-ফারাজা। সন্ত্রাসীসহ বিপুল অস্ত্র পাঠিয়ে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থাটি তেহরানে হামলার পরিকল্পনা করছিলো বলেও দাবি ইরানের।
আরও পড়ুন:
ইরান কর্তৃপক্ষের দাবি, এই গোষ্ঠীটির মূল লক্ষ্য ছিল মানুষ হত্যা করা এবং বিক্ষোভকে রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় রূপ দেয়া। যা তারা প্রথম থেকেই সন্দেহ করছিলো। এজন্য চক্রটি একে-৪৭ রাইফেল, শটগানসহ নানা ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ও স্যাটেলাইট ফোনের মতো যোগাযোগ সরঞ্জাম বিতরণ করছিলো। যা ব্যবহার করে বিক্ষোভের শুরু থকেও ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে বলেও দাবি তেহরানের। প্রেস টিভির প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে এসব তথ্য।
এদিকে কোনো মধ্যস্থতাকারী দেশের কথায় রাজি হয়ে নয় বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করাতেই ইরান ইস্যুতে নমনীয় হওয়ার দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তবে তেহরান ঘিরে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে মার্কিন প্রশাসন যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও এক্সিওস-সহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে।
কার্যত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে ফোনে কথা বলে ইরানকে সহযোগিতার বার্তা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করে উত্তেজনা কমানোর জন্য রাশিয়ার কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান রুশ প্রেসিডেন্ট।





