আজ (শনিবার, ২২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ইরান রণাঙ্গনে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে সকল প্রলাপমূলক (delirious) হুমকির মোকাবিলা করবে।’
ট্রাম্পের হুমকির প্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালীর বর্তমান অবস্থা স্পষ্ট করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত, কেবল তাদের জন্য নয় যারা আমাদের মাটি ও সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করতে চায়।’
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই বাকযুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।
গতকাল (শুক্রবার, ২১ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার হুঁশিয়ারি দেন। অন্যথায় দেশটির জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার হুমকি দেন তিনি।
আরও পড়ুন:
তিন সপ্তাহের যুদ্ধের পর সামরিক অভিযান ‘ধীরে ধীরে কমিয়ে’ বা ‘গুটিয়ে আনার’ কথা ভাবছেন- এমন ঘোষণা দেয়ার মাত্র একদিন পরই ট্রাম্প এ আলটিমেটাম দেন। এসময় গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি আরও হাজার হাজার মার্কিন মেরিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা হয়েছে।
ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ইরান ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে না দিলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোয় হামলা চালাবে। সেগুলো ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করা হবে এবং সবচেয়ে বড় কেন্দ্রটি দিয়ে এই হামলা শুরু হবে।
তার পোস্ট অনুযায়ী, এই সময়সীমা শেষ হবে সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪৪ মিনিটে। তবে এ হুমকির পর শনিবার দিনভর ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে। আইআরজিসি ও ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান। এর কিছুক্ষণ পর এটি নিয়ে মন্তব্য করলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।





