বেকটল বলেন, ‘দিয়েগো গার্সিয়ার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ছিল মুসুদান। ইরানিরা এগুলোর ১৯টি উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে কিনেছিল এবং ২০০৫ সালে তা হাতে পায়।’ ২০০৫ সাল থেকেই তাদের এই সক্ষমতা রয়েছে—এটি কোনো ‘গোপন অস্ত্র’ নয়,’ ফক্স নিউজ ডিজিটালকে বলেন তিনি। বেকটল ও অ্যান্থনি সেলসো যৌথভাবে ‘রগ এলাইজ: দ্য স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ বিটুইন ইরান অ্যান্ড নর্থ কোরি’ বইটির লেখক।
এদিকে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল শুক্রবার রাতে একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানায়, ইরান দিয়েগো গার্সিয়ায় একটি যৌথ যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য সামরিক ঘাঁটিতে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি ক্ষেপণাস্ত্র উড্ডয়নকালে ব্যর্থ হয়। অন্যটির দিকে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রতিহতকারী ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। তবে সেটি আঘাত হানতে পেরেছিল কি না, তা নিশ্চিত করা যায়নি। তবে কোনো ক্ষেপণাস্ত্রই ঘাঁটিতে আঘাত করেনি বলে কর্মকর্তারা দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে জানিয়েছে।
দিয়েগো গার্সিয়া ইরান থেকে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে। এটি গত মাসে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যে ২ হাজার কিলোমিটার ক্ষেপণাস্ত্রর কথা বলেছিলেন, তার দ্বিগুণ।





