দোহার পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই নেতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চলমান উত্তেজনা কমিয়ে আনার বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন। বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি করা যায়, তা নিয়ে তারা গুরুত্বারোপ করেন।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান তার নতুন ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ও জাহাজ চলাচলে টোল বা মাশুল আদায়ের ঘোষণা দেয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এই দুই প্রভাবশালী মুসলিম দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আলোচনায় বসলেন। মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে কাতার ও সৌদি আরবের এই সংলাপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।





