আল জাজিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মাসগ্রেভ বলেন, ‘ওয়াশিংটন ও তেহরান—উভয় পক্ষই এখন হরমুজ প্রণালির বর্তমান অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার জন্য তাদের হাতে থাকা বিকল্পগুলো প্রদর্শনের চেষ্টা করছে। ইরান যদি সফলভাবে এই নৌপথে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের একটি কাঠামো দাঁড় করাতে পারে এবং তাতে অন্য দেশগুলোকে যুক্ত করতে পারে, তবে তাদের এই কর্তৃত্ব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রূপ পাবে।’
এই আলোচনার সময়টি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করেন মাসগ্রেভ। কারণ সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে ইরানের সুযোগগুলো সীমিত করার চেষ্টা করেছেন। তবে ট্রাম্প-শি বৈঠকের পর হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তেমন কোনো সুনির্দিষ্ট আলোচনার কথা সামনে আসেনি।
মাসগ্রেভ বলেন, ‘যখন ওয়াশিংটন বেইজিংকে ব্যবহার করে ইরানকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে, তখন তেহরান ইউরোপের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নিজের নিয়ন্ত্রণকে বৈধ করার কৌশল নিয়েছে।’ এর মাধ্যমে ইরান দেখাতে চায় যে, প্রণালির ওপর তাদের দাবি ও নিয়ন্ত্রণ কেবল গায়ের জোরে নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার অংশ।





