লিন জিয়ান বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা ও চাপ সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবে না।’ তিনি বলেন, ‘চীন সব সংশ্লিষ্ট পক্ষকে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নিতে এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে সমস্যা সমাধান করতে আহ্বান জানায়।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইরানের অর্থনীতি আলাদা করে ফেলতে বেইজিংসহ বিভিন্ন সরকারকে উদ্যোগে যোগ দিতে বলেছে। যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পর যুক্তরাষ্ট্র যে চাপের কৌশল নিচ্ছে, তেহরান সেটিকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বলে আখ্যা দিয়েছে এবং ব্যর্থ হবে বলে মন্তব্য করেছে।
এদিকে ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের কৌশলকে সমর্থন করেছেন। চীনকে এ উদ্যোগে যুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র চাপ দেবে কি না এ প্রশ্নে স্কট বেসেন্ট সিএনবিসিকে বলেন, ‘অনেক কথাবার্তা গোপনেই হওয়া ভালো।’ তবে তিনি বেইজিংকে ‘প্রোগ্রামের সঙ্গে থাকতে’ আহ্বান জানান।
স্কট বেসেন্টের মন্তব্য নিয়ে জানতে চাইলে লিন জিয়ান আবারও বলেন, যুদ্ধের সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবার ‘দায়িত্বশীল পদক্ষেপ’ জরুরি। পাশাপাশি তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তি নেই এবং ‘জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ’ অনুমোদন দেয়নি এ ধরনের ‘অবৈধ একতরফা নিষেধাজ্ঞা’র বিরোধিতা করে চীন।





