তবে জাতিসংঘের এই বৈশ্বিক সামিট এড়িয়ে চলছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। নিউ ইয়র্কের অনুষ্ঠানে না গিয়ে তিনি বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। ফলে বৈশ্বিক সংকট সমাধানে জাতিসংঘের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন তহবিল কাটছাঁট এবং আর্থিক সংকটে থাকা ৮০০ বছরের পুরোনো এই সংস্থাটির বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মেয়াদ চলতি ২০২৬ সালের শেষেই শেষ হচ্ছে।
এবারের সম্মেলনে আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। সম্প্রতি বিশ্ব প্রযুক্তির বেশ কিছু জ্যেষ্ঠ উদ্যোক্তা এআই বিকাশের গতি নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও এ বিষয়ে একমত প্রকাশ করে জানিয়েছেন, বৈশ্বিক বিপর্যয় এড়াতে সব দেশের সম্মিলিত আইনি সীমানা নির্ধারণ করা দরকার। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এআইয়ের ঝুঁকিকে একটি ‘প্রতারণা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধ এবং তেল পরিবহনের পথ বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের তৎপরতা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। সাধারণ পরিষদের এই অধিবেশনে বুধবার বক্তব্য দেবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং বৃহস্পতিবার বক্তব্য দেবেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। ভিসা না পাওয়ায় টানা দ্বিতীয় বছরের মতো সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারছেন না ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস; তিনি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে যুক্ত হবেন।
এর পাশাপাশি সাড়ে চার বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইউক্রেন যুদ্ধ এবং কৃষ্ণসাগর অবরোধের ফলে তৈরি হওয়া বৈশ্বিক খাদ্যসংকট নিয়ে আলোচনা হবে। সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ উপস্থিত থাকবেন।





