ইরানে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি ইসরাইলের; মধ্যপ্রাচ্যে সেনা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরাইলি হামলার আগে প্রস্তুত করা হচ্ছে যুদ্ধবিমান
বিদেশে এখন
0

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে কিংবা এককভাবে ইরানের ওপর সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আনাদোলুর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

ইসরাইলি দৈনিক ইসরাইল হাইয়ম জানায়, দেশটির সামরিক বাহিনী ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ লক্ষ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক গোয়েন্দা ও সামরিক যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরাইল আগাম হামলা চালানো কিংবা ইরানের সম্ভাব্য যেকোনো আক্রমণের কড়া জবাব দেয়ার পরিকল্পনা করছে। তবে আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইসরাইল বা মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে বড় ধরনের হামলার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম। ইসরাইল এখনো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে তাদের জন্য প্রধান হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে।

এদিকে ইসরাইলি সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ালা রোববার জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইসরাইলে অতিরিক্ত সেনা ও যুদ্ধবিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন। নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে ওয়ালা জানায়, বর্তমানে ইসরাইলজুড়ে প্রায় ৩ হাজার মার্কিন সামরিক সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এদের মধ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনাকারী সেনা, পাইলট, প্রকৌশলী ও লজিস্টিকস কর্মী রয়েছেন। ওয়াশিংটন এই অঞ্চলে নিজেদের শক্তি আরও বাড়াতে চাইছে।

ইসরাইলি বাহিনী সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতি এগিয়ে নিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করেছে।

এমন এক সময়ে এ প্রস্তুতির খবর সামনে এল, যখন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রোববার জানিয়েছেন, একটি ‘ন্যায্য সমাধানে’ পৌঁছাতে তেহরান এখনো কূটনীতি চালিয়ে যেতে প্রস্তুত। গত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কাতারের মধ্যস্থতায় হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটনের কাছে সাতটি শর্ত দিয়েছিল তেহরান। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরবর্তীতে জানান, ওয়াশিংটন ইরানের দেয়া শর্তগুলো মেনে নেয়নি।

এএম