মঙ্গলবার প্রকাশিত আরামকোর আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১৩৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল, যা মার্কিন ডলারে প্রায় ৩৬ দশমিক ২ বিলিয়ন। গত বছরের একই সময়ে এই মুনাফার পরিমাণ ছিল প্রায় ১০১ বিলিয়ন রিয়াল।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি পরিশোধন খাতেও মুনাফার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন বড় জ্বালানি কোম্পানির আয় বেড়েছে। আরামকোর মুনাফা বৃদ্ধির পেছনেও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের উচ্চমূল্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
গত জুলাইয়ে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা নিয়মিত সৌদি তেলবাহী জাহাজ, পাইপলাইন, তেল সংরক্ষণাগার ও শোধনাগার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এসব হামলার তীব্রতাও বেড়েছে।
এ ছাড়া হুতি ও ইরানের তৎপরতার কারণে বাব আল-মান্দেব ও হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই দুই নৌপথে বাধার সৃষ্টি হওয়ায় সৌদি আরবের তেল রপ্তানি কার্যক্রমও জটিলতার মুখে পড়েছে।
আরামকোর প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আমিন এইচ. নাসের বলেছেন, চলমান সংঘাত বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ সংকটকে আরও তীব্র করেছে। ’





