মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচন; প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার দৌঁড়ে কারা এগিয়ে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে বুথে ভোট দিচ্ছেন নাগরিকেরা
বিদেশে এখন
2

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবারের এই নির্বাচনে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তা নির্ধারিত হবে। ডেমোক্র্যাটরা এবার আক্রমণাত্মক অবস্থানে থেকে আসন ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে, আর নিজেদের গড় বাঁচাতে রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়েছে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানরা। ইয়াহু নিউজের এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথমার্ধে কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ উপভোগ করেছেন। তবে এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে চলে গেলে তারা প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন পরিকল্পনা আটকে দেয়া, তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা এবং এমনকি তাকে আবারও অভিশংসনের (ইমপিচ) ক্ষমতা পাবে।

ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায়, প্রেসিডেন্টের মেয়াদের প্রথম দুই বছর পর অনুষ্ঠিত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল প্রায় সব সময়ই আসন হারায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে গড়ে ২৬টি আসন হারিয়েছে প্রেসিডেন্টের দল। কখনো কখনো জনরোষ এতটাই তীব্র হয় যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বহু আসনে একযোগে ভরাডুবি ঘটে ক্ষমতাসীনদের, যাকে জোয়ারের নির্বাচন বলা হয়। তবে অতীত সব সময় ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেয় না এবং রিপাবলিকানদের হাতে এবার এমন কিছু সুবিধা রয়েছে, যা আগে ছিল না।

নজরে থাকা মূল আসনগুলো

প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে তাত্ত্বিকভাবে ৪৩৫টি আসনের সব কটিতেই লড়াই হলেও প্রায় ৮০ শতাংশ আসনে (৩৪৬টি) প্রকৃত অর্থে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় না। তহবিল ও পরিচিতির কারণে বর্তমান সদস্যরা বরাবরই বড় সুবিধা পান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং নির্বাচনি এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণের কারণে বেশির ভাগ আসনই যেকোনো একটি দলের জন্য নিরাপদ হয়ে উঠেছে।

নির্দলীয় সংস্থা কুক পলিটিক্যাল রিপোর্টের হিসাব অনুযায়ী, এবার প্রকৃত নির্বাচনি লড়াইয়ের ক্ষেত্র তুলনামূলক ছোট। মাত্র ৮৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১৮টি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই (টসআপ) হচ্ছে। এছাড়া ১৮টি আসন ডেমোক্র্যাটদের দিকে এবং ১৮টি আসন রিপাবলিকানদের দিকে কিছুটা ঝুঁকে আছে। বাকি আসনগুলোর মধ্যে ১৮টিতে ডেমোক্র্যাটদের এবং ১৭টিতে রিপাবলিকানদের জয়ের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

এই পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট যে কোন দল আক্রমণাত্মক অবস্থানে রয়েছে এবং কোন দল নিজেদের আসন বাঁচাতে রক্ষণাত্মক খেলছে। ডেমোক্র্যাটদের দখলে থাকা আসনগুলোর মধ্যে মাত্র ৩১টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে এবং এর অর্ধেকের বেশি (১৭টি) ডেমোক্র্যাটদের হাতেই থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের মাত্র ৪টি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে এবং মাত্র ৩টি আসন রিপাবলিকানদের দিকে ঝুঁকে আছে। বিপরীতে রিপাবলিকানদের দখলে থাকা পূর্ণ ৫৮টি আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক আসনেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই (১৪টি) চলছে অথবা সেগুলো ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঝুঁকে (১৩টি) পড়েছে।

ভৌগোলিকভাবে এবারের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আসনগুলো কয়েকটি বিশেষ অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত। এর মধ্যে রয়েছে অতীতে হাতবদল হওয়া রাস্ট বেল্ট অঞ্চলের অঙ্গরাজ্য (মিশিগান, পেনসিলভানিয়া ও ওহাইও), মিড-আটলান্টিক অঞ্চলের শহরতলি (নিউ ইয়র্ক, ভার্জিনিয়া ও নর্থ ক্যারোলাইনা) এবং লাতিনো ভোটার অধ্যুষিত সান বেল্ট অঞ্চলের (ফ্লোরিডা, টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া ও নেভাদা) আসনগুলো। ২০২৪ সালের নির্বাচনে এসব এলাকার অনেকগুলোতেই জিতেছিলেন ট্রাম্প।

সোমবার কুক পলিটিক্যাল রিপোর্ট আরও ৫টি আসনের পূর্বাভাস ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে সরিয়ে নিয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহে সংস্থাটি মোট ৮০টি আসনের পূর্বাভাস ডেমোক্র্যাটদের অনুকূলে নিয়েছে।

সংস্থাটির প্রতিনিধি পরিষদবিষয়ক বিশ্লেষক সম্প্রতি লিখেছেন, ‘প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনি লড়াইয়ের মানচিত্র বিস্তৃত হওয়ায় ডেমোক্র্যাটদের সামনে এখন ২০০৯ সালের পর সবচেয়ে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালে বড় ব্যবধানে জেতা কট্টর রিপাবলিকান আসনগুলোতেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে এবং রিপাবলিকানদের বিপুল অর্থ ব্যয়ও পরিস্থিতির মোড় ঘোরাতে পারছে না। ডেমোক্র্যাটরা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নির্বাচনের পর পাওয়া ২৫৭টি আসনের চূড়ান্ত রেকর্ডে পৌঁছাতে না পারলেও ২০০৬ ও ২০১৮ সালের ডেমোক্র্যাট জোয়ারের সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।’

তার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটরা ১২ থেকে ২৫টি আসন ছিনিয়ে নিতে পারে, যা প্রতিনিধি পরিষদে তাদের আসনসংখ্যা ২৪০-এ উন্নীত করতে পারে।

ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সমীকরণ

সিনেট ও গভর্নর নির্বাচনগুলো অনেকটা অঙ্গরাজ্যভিত্তিক ও প্রার্থীর ব্যক্তিত্বনির্ভর হলেও প্রতিনিধি পরিষদের গঠনে জাতীয় রাজনীতির হাওয়া বড় ভূমিকা রাখে। এর একটি উদাহরণ ২০১০ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন। সেবার ২০০৮ সালের আর্থিক ধস থেকে ধীরগতির পুনরুদ্ধার এবং প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পদক্ষেপে হতাশ হয়ে ভোটাররা রিপাবলিকানদের বাড়তি ৬৪টি আসন জিতিয়েছিলেন।

ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঐতিহাসিক প্রবণতার বাইরেও ডেমোক্র্যাটদের সামনে এখন দুটি বড় সুবিধা রয়েছে। প্রথমত, প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের বর্তমান সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুবই সামান্য—২১৯ বনাম ২১৪ (রিপাবলিকানদের সঙ্গে থাকা একজন স্বতন্ত্র সদস্যসহ)। ফলে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে ডেমোক্র্যাটদের নিট মাত্র ৩টি বাড়তি আসন জিতলেই চলবে। দ্বিতীয়ত, জনমত জরিপগুলো সঠিক হলে পুরো নির্বাচনি মাঠ ডেমোক্র্যাটদের দিকেই ঝুঁকে আছে।

জরিপগুলো বলছে, জাতীয়ভাবে ভোটারদের বাম দিকে বা ডেমোক্র্যাটদের দিকে ঝুঁকে পড়ার মূল কারণ ট্রাম্পের ওপর অসন্তোষ। তথ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিলভার বুলেটিনের হিসাবমতে, বর্তমানে গড়ে ৫৯ শতাংশ মার্কিনী ট্রাম্পের দায়িত্ব পালনের ধরনে অসন্তুষ্ট এবং ৩৮ শতাংশ সন্তুষ্ট। ফলে প্রেসিডেন্টের নিট জনপ্রিয়তার হার এখন মাইনাস ২১ শতাংশ, যা তার সর্বকালের সর্বনিম্ন অবস্থানের কাছাকাছি।

ভোটারদের কাছে এ বছরের সবচেয়ে বড় ইস্যু জীবনযাত্রার ব্যয়ের ক্ষেত্রে ট্রাম্পের অবস্থান আরও নাজুক। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পরপর মূল্যস্ফীতি মোকাবিলায় ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে সন্তুষ্ট ও অসন্তুষ্ট মানুষের সংখ্যা প্রায় সমান ছিল। কিন্তু শুল্ক আরোপ এবং ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে ৭০ শতাংশ মানুষই তার ওপর অসন্তুষ্ট এবং মাত্র ২৫ শতাংশ সন্তুষ্ট। এ ক্ষেত্রে ব্যবধান ৪৫ পয়েন্টের।

ডেমোক্র্যাটরাও যে খুব জনপ্রিয় তা নয়। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের জন্য জনমতের এই চরম অসন্তোষ কাটিয়ে ওঠা কঠিন। সে কারণেই জরিপকারীরা যখন সাধারণ প্রশ্ন করেছেন যে কংগ্রেস নির্বাচনে আপনি কোন দলের প্রার্থীকে ভোট দেবেন—তখন মার্কিনীরা ডেমোক্র্যাটদের গড়ে ৯ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে রেখেছেন।

রিপাবলিকানদের জন্য আরও দুশ্চিন্তার বিষয় হলো, ২০২৪ সালে ট্রাম্পকে সমর্থন দেয়া লাতিনো ও স্বতন্ত্রদের মতো দোদুল্যমান ভোটাররা এবার ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেয়ার পরিকল্পনার কথা জানানোয় এই ব্যবধান আরও বেড়েছে। তুলনা হিসেবে বলা যায়, ২০১৮ সালে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার সময় নির্বাচনের ঠিক আগে ডেমোক্র্যাটরা জরিপে গড়ে ৭ দশমিক ৩ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল। নির্বাচনের দিন তারা ৪১টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল।

রিপাবলিকানদের জয়ের সমীকরণ

প্রশ্ন হলো জনমত জরিপগুলো কি সঠিক? সম্প্রতি আইওয়া, কানসাস ও নেব্রাস্কার মতো গ্রামীণ রিপাবলিকান অঙ্গরাজ্যগুলোতে সিনেট নির্বাচনের জরিপে ডেমোক্র্যাটদের অপ্রত্যাশিতভাবে এগিয়ে থাকার তথ্য সামনে এনেছে রিপাবলিকানরা। তাদের যুক্তি, জরিপকারী সংস্থাগুলো হয়তো জনমত বুঝতে ভুল করছে।

অতীতে জরিপ ভুল প্রমাণিত হওয়ার এই দাবি অমূলক নয়। ডেটা সাংবাদিক নেট সিলভারের তথ্যমতে, ট্রাম্প নিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এমন তিনটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেই ভোটের দিনের আগের চূড়ান্ত গড় জরিপে পপুলার ভোটে রিপাবলিকানদের ফলাফল গড়ে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট কম অনুমান করা হয়েছিল। এর পেছনে নন-রেসপন্স বায়াস নামের একটি তত্ত্ব কাজ করে—অর্থাৎ রিপাবলিকান ভোটারদের তুলনায় ডেমোক্র্যাট ভোটাররা জরিপকারীদের কাছে মতামত দিতে বেশি আগ্রহী থাকেন।

এবারও কিছু অঙ্গরাজ্যে গ্রামীণ রিপাবলিকান ভোটাররা জরিপকারীদের সাড়া দেননি বলে লক্ষণ দেখা গেছে। এর অর্থ কি ওই সব স্থানে রিপাবলিকান প্রার্থীরা জরিপের চেয়ে ভালো ফল করবেন? তা হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর আরেকটি অর্থ হতে পারে যে গ্রামীণ রিপাবলিকানরা ২০২৪ সালের তুলনায় দলের ওপর কম সন্তুষ্ট এবং তারা আজ ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিতে পারেন কিংবা ভোটকেন্দ্রে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে পারেন।

সিলভারের তথ্য বলছে, ট্রাম্প জমানায় যেসব নির্বাচনে ট্রাম্প নিজে ব্যালটে প্রার্থী ছিলেন না, সেসব নির্বাচনে জরিপে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি কোনো পক্ষপাত দেখা যায়নি। বরং ২০১৬ সালের পর থেকে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সমর্থন জরিপে গড়ে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ এবং বিশেষ ও রানঅফ নির্বাচনে গড়ে ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি করে দেখানো হয়েছিল।

রিপাবলিকানদের দ্বিতীয় বড় সুবিধা হলো নির্বাচনি এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ। সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর নতুন আদমশুমারির পর প্রতিনিধি পরিষদের আসনগুলোর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ২০২৬ সালে রিপাবলিকানদের বাড়তি ৫টি আসন জেতাতে গত গ্রীষ্মে টেক্সাসের রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের নির্ধারিত সময়ের পাঁচ বছর আগেই নতুন সীমানা পাসে বাধ্য করেন ট্রাম্প। এর জেরে পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপে ৯টি অঙ্গরাজ্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য নতুন মানচিত্র গ্রহণ করে, যার কিছু ডেমোক্র্যাটদের এবং কিছু রিপাবলিকানদের সুবিধা দিয়েছে।

কুক পলিটিক্যাল রিপোর্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সীমানা পুনর্নির্ধারণের কারণে রিপাবলিকানরা ৯টি আসনে (আলাবামা, ফ্লোরিডা, লুইজিয়ানা, নর্থ ক্যারোলাইনা, ওহাইও, টেনেসি ও টেক্সাস) এবং ডেমোক্র্যাটরা ৫টি আসনে (ক্যালিফোর্নিয়া ও ইউটাহ) জিততে পারে। শেষ পর্যন্ত এমনটা ঘটলে রিপাবলিকানরা নিট ৪টি আসন বেশি পাবে।

অবশ্য সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে শুরুতে যতটা লাভ হবে বলে রিপাবলিকানরা আশা করেছিল, এটি ততটা নয়। প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের হুইপ মিনেসোটার টম এমার সম্প্রতি অ্যাক্সিওসকে বলেন, ‘সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা ওই ১৩টি আসনের সব কটিতে আমরা জিততে যাচ্ছি না। এটি সঠিক যে আমরা সব কটিতে জিতব না।’

তারপরও রিপাবলিকানদের আশা, জনমত জরিপের ভুল হিসাব, সীমানা পুনর্নির্ধারণের সুবিধা এবং ২০২৪ সালে ট্রাম্পের জেতা আসনগুলো রক্ষায় শেষ মুহূর্তে ঢালা শত শত কোটি ডলারের নির্বাচনি তহবিল—এই তিনের সমন্বয়ে তারা প্রতিনিধি পরিষদে নিজেদের সামান্য ব্যবধানের সংখ্যাগরিষ্ঠতা টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হবে।

এএম