সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনে বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে নাটকীয় জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা।
সাউথ ক্যারোলাইনায় রিপাবলিকানদের দখলে থাকা একটি আসনে জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট চিকিৎসক অ্যানি অ্যান্ড্রুজ। তিনি প্রয়াত দীর্ঘদিনের সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের বোন ডারলিন গ্রাহামকে পরাজিত করেছেন। অঙ্গরাজ্যটিতে সর্বশেষ ১৯৯৮ সালে কোনো ডেমোক্র্যাট সিনেট নির্বাচনে জয় পেয়েছিলেন।
নর্থ ক্যারোলাইনাতেও একটি সিনেট আসন হারিয়েছে রিপাবলিকানরা। সেখানে সাবেক গভর্নর ও ডেমোক্র্যাট প্রার্থী রয় কুপার পরাজিত করেছেন রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইকেল হোয়াটলিকে।
রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত টেক্সাসেও বড় জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস টালারিকো। তিনি অঙ্গরাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনকে পরাজিত করেছেন। টেক্সাসে সর্বশেষ ১৯৯৪ সালে কোনো ডেমোক্র্যাট অঙ্গরাজ্যব্যাপী নির্বাচনে জয় পেয়েছিলেন।
এ ছাড়া ওহাইওতে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান সিনেটর জন হাসটেডকে হারিয়ে আসনটি পুনরুদ্ধার করেছেন ডেমোক্র্যাট শেরড ব্রাউন। কানসাসে রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শালকে পরাজিত করেছেন ডেমোক্র্যাট যাজক অ্যাডাম হ্যামিল্টন।
বর্তমান ১১৯তম কংগ্রেসের ১০০ সদস্যের সিনেটে রিপাবলিকানদের আসন ছিলো ৫৩টি। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের ছিল ৪৫টি। তাদের সঙ্গে জোটে ছিলেন দুজন স্বতন্ত্র সিনেটর।
এবারের নির্বাচনের ফলের মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটনে রিপাবলিকানদের একক নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে সিনেট, প্রতিনিধি পরিষদ ও প্রেসিডেন্ট—তিন ক্ষেত্রেই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিল দলটি। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এই অবস্থাকে ‘ট্রাইফেক্টা’ বলা হয়।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের তুলনায় সিনেটের নিয়ন্ত্রণ বদলানো কঠিন হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল। কারণ, এবারের নির্বাচনে সিনেটের তুলনামূলক কমসংখ্যক আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।





