যুদ্ধবিরতি ভেঙে গাজায় চালানো ইসরাইলি বিমান হামলা, নিহত ১৩

গাজায় ইসরাইলি হামলা
মধ্যপ্রাচ্য
বিদেশে এখন
0

যুদ্ধবিরতির শর্ত উপেক্ষা করে গাজায় চালানো ইসরাইলি বিমান হামলায় একদিনে অন্তত ১৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদিকে ২৮ ফেব্রুয়ারি বন্ধের পর আগামী ১৮ মার্চ উভয় দিক থেকেই রাফাহ সীমান্ত খুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইল। তবে পণ্য পরিবহনে থাকছে না অনুমতি।

ইরান যুদ্ধের মধ্যেও গাজার ফিলিস্তিনিদের ওপরও বর্বরোচিত হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী। যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে চালাচ্ছে হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ। রোববার একদিনে ইসরাইলি বিমান হামলা প্রাণ গেছে দুই শিশু, গর্ভবতী নারী ও নয় পুলিশ সদস্যসহ বেশ কয়েকজনের।

এ নিয়ে গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে সাড়ে ছয় শতাধিক ফিলিস্তিনি হত্যা করেছে নেতানিয়াহু বাহিনী। আর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় উপত্যকায় মোট প্রাণহানি ৭২ হাজার ২০০ এর বেশি।

ত্রাণ সহায়তা ঢুকতেও বাধা দিচ্ছে ইসরাইল। দৈনিক অন্তত ৬০০ ত্রাণবাহী ট্রাকের প্রয়োজন থাকলেও মাত্র ২০০ ট্রাক ঢুকতে দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। যে কারণে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের মজুদও শেষের পথে। তাই রমজান মাসেও চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে গাজাবাসীর।

আরও পড়ুন:

এরইমধ্যে আগামী ১৮ মার্চ উভয় দিক থেকেই মিশর লাগোয়া রাফাহ সীমান্ত খুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে ইসরাইল। তবে যাত্রী চলাচল করতে পারলেও; কোনো ধরনের পণ্য পরিবহনের অনুমতি নেই বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর আগে ইরানে হামলা শুরুর দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ক্রসিংটি বন্ধ করে দিয়েছিলো ইসরাইল।

এবার রাফাহ সীমান্ত খুলে দেয়ার ঘোষণা এমন এক সময় আসলো; যখন ২০ হাজারের বেশি অসুস্থ ও আহত ফিলিস্তিনি চিকিৎসার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। যাদের মধ্যে প্রায় চার হাজার ক্যান্সার রোগী এবং সাড়ে চার হাজার শিশু রয়েছে। তবে গাজা থেকে মিশরে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে ইসরাইলি নিরাপত্তা ছাড়পত্র, মিশরের সঙ্গে সমন্বয় এবং ফেব্রুয়ারির শুরুতে মোতায়েন করা ইউরোপীয় ইউনিয়ন সীমান্ত মিশনের মুখোমুখি হতে হবে।

এসএস