পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনও ভোরবেলায় বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে ইরানের রাজধানী তেহরান। চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইরানের মাশহাদ শহরের পবিত্র স্থান ইমাম রেজা মাজারে মানুষের ঢল নামে। বেশ কয়েকটি শহরে ঈদের জামাত রূপ নেয় পশ্চিমা বিরোধী বিক্ষোভে।
ঈদের জামাত শেষে কুশল বিনিময় করেন ইরানিরা। তবে তাদের মধ্যে এখনো বিরাজ করছে আতঙ্ক। ঈদের দিন ঘিরে যুদ্ধ বন্ধ হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছেন ইরানিরা। ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনি বলেন, ইরানের শত্রুরা পরাজিত হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
বহু ইরানি মেতে উঠেছে ফারসি নববর্ষ নওরোজ উদযাপনে। ইরানের অলিগলিতে নওরোজের ঐতিহ্যবাহী ফুল ‘হায়াসিন্থ’-এর সুবাস, যা শহরজুড়ে বসন্তের আগমনকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
নওরোজের ঐতিহ্য মেনে, বছরের শেষ বৃহস্পতিবার, গতকাল ইরানের ৩১টি প্রদেশের বহু পরিবার তাদের প্রিয়জনদের কবর জিয়ারত করেছে।
এ বছরের নওরোজ উদযাপন কেবল যুদ্ধের কারণেই ম্লান হয়নি। বর্তমান সংঘাত শুরু হওয়ার আগে থেকেই ইরান ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করছিল। নতুন বছরে কেউ কেউ হতাশায় ভুগলেও অনেকেই বসন্তের মধ্যে আশা খুঁজছেন।





