ইরান যুদ্ধে না জড়ানোর সিদ্ধান্তে অনড় ব্রিটেন

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
মধ্যপ্রাচ্য
বিদেশে এখন
0

ডিয়েগো গার্সিয়ায় ব্রিটিশ-মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার একদিন পর আরব সাগরে পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন মোতায়েন করলো যুক্তরাজ্য। সংঘাতের তীব্রতা বাড়লে এখান থেকে ইরানের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারবে ব্রিটেন। তবে শুরু থেকেই ইরান যুদ্ধে না জড়ানোর সিদ্ধান্তে অনড় ব্রিটেন। আর দেশটি বলছে ইউরোপে হামলার সক্ষমতা বা লক্ষ্য কোনোটিই নেই ইরানের।

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র। শুরুতে অস্বীকৃতি জানালেও, পরে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর কথা বিবেচনায় নিজেদের ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয় যুক্তরাজ্য। এমনকি গেল বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে হরমুজের সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে একজোট হয় স্টারমার প্রশাসন।

এর ঠিক একদিন পর ডিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপে ব্রিটিশ-মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। গুঞ্জন ওঠে আইআরজিসির হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইউরোপও। তবে শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার সদস্য স্টিভ রিড জানান, ইউরোপে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সক্ষমতা বা লক্ষ্য কোনটিই নেই তেহরানের।

আরও পড়ুন:

ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার সদস্য স্টিভ রিড বলেন, ‘আমরা যুদ্ধে জড়াতে চাই না। তবে নিজেদের নাগরিকদের সুরক্ষায় যথাযথ প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখব। আমার মনে হয় না ইরান ইউরোপে হামলা চালাবে। আর এমনটা হলে, তা প্রতিরোধ করবে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী।’

এদিকে সামরিক সূত্রের বরাতে ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবর, আরব সাগরে পৌঁছেছে যুক্তরাজ্যের পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন। এতে আলোচিত টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও রয়েছে বেশ কিছু শক্তিশালী টর্পেডো। ব্রিটেনের দাবি, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সাবমেরিনটি আরব সাগরে মোতায়েন করা হয়েছ। চলমান সংঘাত তীব্র হলে এটি থেকে ইরানের যেকোনো নিশানায় হামলা চালানো যাবে। আর এই কৌশলগত কারণেই সাবমেরিনটি মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর বিশ্ব গণমাধ্যমগুলোর।

চলতি মাসের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার উপকূল ছেড়ে আরব সাগরের দিকে রওনা দেয় সাবমেরিন এইচএমএস অ্যানসন। প্রায় আট হাজার ৮০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে সাবমেরিনটি সম্প্রতি আরব সাগরে পৌঁছেছে।

এসএস