আজ (বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর) বিকেলে তার পদত্যাগের বিষয়ে এ ফেসবুক পোস্টটি করেন শারমিন।
পোস্টে সামান্তা শারমিন আরও লেখেন, ‘জামায়াত দার্শনিক ভিত্তি ও প্রস্তাবিত রাষ্ট্রপ্রকল্প গণতান্ত্রিক রাষ্টপ্রকল্প নয়। জামায়াতকে যতটুকু সংস্কারের কথা বলতে দেখা যায় ততটুকু বলে চব্বিশের আকাঙ্ক্ষাকে কুক্ষিগত করার প্রয়োজন থেকে, ভণিতা হিসেবে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনে গণহত্যাকেও জায়েজ মনে করে জামায়াত। একাত্তরে জামায়াতের ভূমিকাকে অপরাধ মনে না করা এবং এর জন্য জাতির কাছে ক্ষমা না চাওয়া— এই সাংগঠনিক ও দার্শনিক ভিত্তির উপরই দণ্ডায়মান।’
আরও পড়ুন:
এছাড়া এনসিপি যখন জামায়াতকে সংস্কারের পথে বন্ধু মনে করেছে তখন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, যারা স্বভাবজাত কারণেই উদার, গণতান্ত্রিক, যারা সংস্কারের প্রকৃত শক্তি, তারা সংস্কারের রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন শারমিন। তিনি বলেন, ‘এনসিপির নিজস্ব ও রাজনৈতিক লাইন স্পষ্ট না থাকায় জামায়াতের মধ্যে এনসিপিকে হারিয়ে যেতে হচ্ছে এবং জামায়াতের জন্য নানান ইস্যুতে প্রতিক্রিয়ামূলক ও সহায়ক ভূমিকা নিতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু জনগণের আকাঙ্খা থেকে জন্ম নেয়া দল এনসিপি, তাই আমি দলকে বারবার এই সমস্যাগুলো সম্পর্কে সাবধান করে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছি।’





