শেষ বাঁশির পর বাংলাদেশ দলের চোখেমুখে স্বস্তির নিঃশ্বাস। তবে সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পাচ্ছেন কোচ থমাস ডুলি। নিজের ট্যাকটিকাল দিক থেকে সমালোচনা থেকে কিছুটা অন্তত রেহাই পাচ্ছেন তিনি।
হামজা-ফারহান নেই। অধিনায়ক তপু একেবারে শেষ মুহুর্তে ছিটকে গেছেন ম্যাচ থেকে। এমন অবস্থায় ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডে তারিক কাজী আর ফরোয়ার্ড লাইনে বিশ্বনাথ ঘোষ। দু’জনকে ফুটবলারকে একেবারেই নিজেদের চেনা জায়গার বাইরে নিয়ে খেলিয়েছেন। তার ফল একেবারেই ভালো কিছু হয়নি।
প্রথমার্ধে বিশ্বনাথ নিজে করেছেন একাধিক মিস। কখনো ফাঁকা পোস্টে বল রাখতে পারেননি। কখনো হেড ছিলো না লক্ষ্যে। ফয়সাল ফাহিমের শট ভুটান গোলরক্ষক দারুণ এক সেইভে ফেরালে লিড নেয়া হয়নি বাংলাদেশের। তবে ডানপ্রান্তে সাদ-রাকিব জুটির কল্যাণে আধিপত্য বজায় রেখেছিলো থমাস ডুলির দল।
আরও পড়ুন:
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মাঠে নেমেছিলেন ফাহমিদুল ইসলাম। তার গতির কিছুটা সুফল বাংলাদেশ পেয়েছিলো বটে। তবে গোল এসেছে আরেক বদলি ইব্রাহিমের পা থেকে। ৬৫ মিনিটে মাঠে নেমে ৪ মিনিট পরেই স্কোরশিটে উঠে তার নাম।
হামজা না থাকায় ভরসা ছিলেন শোমিত শোম। তারই অ্যাসিস্টে লক্ষ্যভেদ ইব্রাহিমের। শেষ পর্যন্ত ওই এক গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।
এ জয়ে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রাখলো বাংলাদেশ। আগামী ৮ নভেম্বর ভুটান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পেলেই ১৪ তারিখের সেরা চারের লড়াই নিশ্চিত করবে জামাল ভূঁইয়ারা। তবে হামজা চৌধুরী দলে যোগ দেয়ার আগে এ জয় বাংলাদেশ দলের জন্য আপাতত বড় স্বস্তিরই বটে।
উল্লেখ্য, আগামী ৮ নভেম্বর গ্রুপ ‘এ’-এর দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। এরপর ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে স্বাগতিক বাংলাদেশ।





