একইসঙ্গে সাজেক ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট সকল ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়ে মন্ত্রণালয় কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তা আগামী বৈঠকে অবগত করার জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে।
আজ জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা, এমপি'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়েছে।
কমিটির সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, দীপেন দেওয়ান, শাহজাহান চৌধুরী, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং মাছুম মোস্তফা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
কমিটি পার্বত্য অঞ্চলে প্রত্যাগত শরণার্থী ও গুচ্ছগ্রামের অ-উপজাতীয়দের রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়ম দূর করে প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে যেন কার্ড বিতরণ করা হয় হয় সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সুপারিশ করে।
আরও পড়ুন:
মন্ত্রণালয় ও তার অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরে যে শূন্য পদ আছে এবং শূন্য পদ পূরণে মন্ত্রণালয় কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে।
কমিটি বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মন্ত্রণালয় ও তার আওতাভুক্ত দপ্তরগুলোতে কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি হয়ে থাকলে তার বিস্তারিত বিবরণ ও গৃহীত পদক্ষেপ কমিটির আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য সুপারিশ করে।
আগামী ডিসেম্বরে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডকে নিয়ে বৈঠক ও পরিদর্শন করবে মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।
এছাড়া কমিটি চলতি অর্থ বছরে মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত বাজেটের বিভাজন ও সুষম বণ্টন, খাদ্য শস্য বরাদ্দে অনিয়ম, ব্যয় পরিকল্পনা ও বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ প্রদান করে।
বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।—বাসস





