জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদের আদালতে অনুষ্ঠিত শুনানিতে দুই সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।
আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের জানান, সাক্ষীরা আদালতে রাসেল হত্যার ঘটনায় শামীম ওসমান ও তার অনুসারীদের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেছেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রমে নিহতের বাবা ছেলের হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান দাবি করেন, সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরায় এজাহারভুক্ত আসামিদের সঙ্গে রাসেল হত্যার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তার ভাষ্য, জেরার সময় মামলার বাদী জানিয়েছেন, পুলিশের লিখে দেয়া এজাহারে তিনি শুধু স্বাক্ষর করেছিলেন।
আরও পড়ুন:
আদালত সূত্রে জানা যায়, সাক্ষ্যগ্রহণের দিন মামলার সাত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ বাকি ২৭ আসামি পলাতক রয়েছেন। আগামী ১৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ মার্কেটের সামনে গুলিবিদ্ধ হন রাসেল। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ জুলাই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ২৭ জুলাই রাসেলের বাবা পিন্টু রহমান নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী সময়ে মামলায় মোট ৩৪ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে শামীম ওসমানও রয়েছেন।
নিহত রাসেলের গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা থানার কশব ভোলাগাড়ী গ্রামে। জীবিকার তাগিদে নারায়ণগঞ্জে এসে দেওভোগ মার্কেটের একটি হোসিয়ারি কারখানায় অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন ১৭ বছর বয়সী এ শ্রমিক।





