গতকাল (বুধবার, ৭ মে) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামের মাল্টি-স্টেকহোল্ডার রাউন্ড টেবিল-৪ এর সহ-সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘অভিবাসী শ্রমিকদের “ব্যবহারযোগ্য শ্রমশক্তি” হিসেবে নয়, বরং অধিকারসম্পন্ন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।’
এসময় তিনি নির্ভুল, বিশ্লেষণভিত্তিক ও তুলনাযোগ্য অভিবাসন তথ্য সংগ্রহ, জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় জোরদার এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানবাধিকারের সুরক্ষার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘বহুমুখী সেবাকেন্দ্র, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসনের প্রতিটি পর্যায়ে সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’
গৃহকর্মী, কৃষি ও অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের উচ্চ ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি শোষণ ও অনিরাপদ কর্মপরিবেশ প্রতিরোধে অধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানান।
পাশাপাশি জেনোফোবিয়া ও ভ্রান্ত তথ্যনির্ভর অভিবাসনবিরোধী প্রচারণা মোকাবিলায় জবাবদিহিতা, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক জনআলোচনা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।
এছাড়া দ্বিপাক্ষিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘মর্যাদা, সুরক্ষা ও সবার কল্যাণ নিশ্চিত করতে অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় “সমগ্র সরকার ও সমগ্র সমাজ” ভিত্তিক সমন্বিত পদ্ধতি গ্রহণ অপরিহার্য।’





