আজ (শুক্রবার, ৬ নভেম্বর) আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত ‘ইউএন গভর্ন্যান্স ইনোভেশন সামিট: অ্যাডভান্সিং ফিউচার-রেডি ইনস্টিটিউশনস’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের অষ্টম অধিবেশনের ‘চ্যালেঞ্জিং কনভেনশনাল অ্যাপ্রোচেস টু গভর্ন্যান্স ইনোভেশন অ্যান্ড অ্যান্টিসিপেটরি গভর্ন্যান্স’ শীর্ষক ‘ক্রস-এক্সামিনেশন ডায়ালগ’-এ অংশগ্রহণকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু প্রযুক্তি দিয়ে সরকারি প্রশাসন বদলানো যায় না। সংযোগ ভিত্তি হলেও প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতিই সংযোগকে জনকল্যাণে রূপ দেয়। নতুন প্রযুক্তি চালুর আগে সরকারকে প্রথমে সমস্যাটি বুঝতে হবে, বিদ্যমান প্রশাসনিক প্রক্রিয়া পরীক্ষা করে অপ্রয়োজনীয় ধাপ কমাতে হবে, প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব স্পষ্ট করতে হবে এবং সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।’
আলোচনাকালে মন্ত্রী তিনটি সক্ষমতা তথা সক্ষম প্রতিষ্ঠান (স্পষ্ট জবাবদিহি, আন্তঃসংযোগযোগ্য ডেটা সিস্টেম ও কার্যকর সমন্বয়), দক্ষ জনবল (নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও মানসিকতা) এবং জনগণের আস্থার (শক্তিশালী ডেটা গভর্নেন্স, সাইবার নিরাপত্তা, গোপনীয়তা সুরক্ষা ও সহজলভ্য অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা) ওপর জোর দেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তি নাগরিককে সরকারি ব্যবস্থার সাথে খাপ খাওয়াতে বাধ্য করবে না; বরং সরকারি ব্যবস্থাই নাগরিকের সঙ্গে খাপ খাওয়াবে। প্রযুক্তি নিজেই প্রাতিষ্ঠানিক বাধা চিহ্নিত করে সংস্কার ত্বরান্বিত করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন এআই, অটোমেশন ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের প্রশাসনকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে পারে এবং সরকার এ লক্ষ্যেই কাজ করছে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘কাগজভিত্তিক পদ্ধতিকে শুধু অনলাইনে তুলে দেওয়ার মানসিকতা থেকে সরে এসে নাগরিকের চাহিদা অনুযায়ী পুরো সেবা-প্রক্রিয়া নতুন করে সাজানো হচ্ছে। এতে অপ্রয়োজনীয় ধাপ কমছে এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে সরকার আরও সাড়াদানকারী, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক হচ্ছে।’
অধিবেশনে লেসোথোর মন্ত্রী মোয়েকেতসি মোৎসোয়ানে, মৌরিতানিয়ার ব্রাহিম বুলখেইর এবং মেক্সিকোর ক্যারোলিনা প্লাটা লোপেজ অংশগ্রহণ করেন।
আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের অধীন পাবলিক সার্ভিস ও সোশ্যাল ইনোভেশনবিষয়ক রাষ্ট্রীয় সংস্থার উপ-চেয়ারম্যান জেহুন সালমানভ অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন।—বাসস





