কাউন্টির আদলে নতুন রূপে সাজবে দেশের ক্রিকেট; বিসিবি সভাপতির একাধিক পরিকল্পনা

সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল
ক্রিকেট
এখন মাঠে
0

নতুন ক্রিকেটার তুলে আনতে দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে কাউন্টি ফরম্যাটের আদলে ঢেলে সাজাতে চান তামিম ইকবাল। দর্শকদের কথা মাথায় রেখে মিরপুরে হোম অব ক্রিকেটের পূর্ব গ্যালারিতে বসাতে চান ক্যানোপি। এছাড়া বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানেও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করতে চান তিনি। গতকাল (বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল) শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব পরিকল্পনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটির প্রেসিডেন্ট।

দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই ক্রিকেটের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন তামিম ইকবাল। এবার দর্শকদের জন্য তার নতুন ভাবনা। যা বাস্তবায়িত হলে বড় সংস্কারের পথে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

মিরপুরের পূর্ব গ্যালারিতে কোনো ছাদ না থাকায় রোদে পুড়তে হতো খেলা দেখতে আসা দর্শকদের। বৃষ্টি হলেও ছিল না সুরক্ষা ব্যবস্থা। এবার স্টেডিয়ামের অন্যান্য অংশের মতো পূর্ব গ্যালারিতেও ক্যানোপি স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, ‘আমাদের স্টেডিয়ামের স্পেশালি যেখানে স্ক্রিন ও স্কোরবোর্ড, সেখানে কোনো শেড (ছাউনি) নেই। আমাদের প্রতিটি খেলায় যদি দেখেন, এখানে টিকিটের দাম থাকে সবচেয়ে কম, এবং দর্শক আছে সবচেয়ে বেশি। সেখানে আমরা একটা ক্যানোপি স্থাপন করে দেবো প্রায় ২৭ হাজার বর্গফুটের মতো।’

এদিকে প্রতি মাসে স্টেডিয়ামের বিদ্যুৎ বিল বাবদ বড় অঙ্কের অর্থ খরচ হয় বিসিবির। এ সমস্যার সমাধানে স্টেডিয়ামের ছাদ জুড়ে সোলার সিস্টেম স্থাপনের পরিকল্পনাও জানান বিসিবির অ্যাডহক কমিটির প্রেসিডেন্ট।

আরও পড়ুন:

তামিম ইকবাল বলেন, ‘একটা বড় অঙ্কের টাকা আমাদের দিতে হয় প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল হিসেবে। আমরা চেষ্টা করছি.. আমরা এটা নিয়ে রেকি করছি। এটা শুরুর পর্যায়, আমরা পুরো স্টেডিয়ামের ছাদে সোলার সিস্টেম করে দেবো।’

দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও বড় পরিবর্তন আনার ভাবনা তামিমের। উঠতি ক্রিকেটারদের সুযোগ বৃদ্ধিতে কাউন্টি ক্রিকেটের মতো ফার্স্ট টিম, সেকেন্ড টিম প্রথা চালু করতে চান তিনি। এছাড়া শুরু করতে চান হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিও।

তামিম বলেন, ‘কাউন্টি ক্রিকেটে প্রথম একাদশ-দ্বিতীয় একাদশ থাকে। এখন থেকে এনসিএল যখন শুরু হবে প্রতিটি দলেই দুটি একাদশ থাকবে। এই সিজন থেকেই যেসব জায়গায় মাঠ আছে, যেগুলো একটা ফার্স্টক্লাস ম্যাচ চালানোর মতো অবস্থায় আছে, সেগুলোতে আমরা হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে শুরু করে দেবো।’

স্বল্প সময়ের দায়িত্বে বোর্ডে এলেও তামিমের পরিকল্পনার ব্যাপ্তি বিশাল। এক্ষেত্রে কতটা সফলতা দেখবে তার ভাবনা, সে প্রশ্ন থেকেই যায়।

এসএইচ