একের পর এক বল ছুঁড়েছেন, আর হতাশ হয়ে মাথা নিচু করে ফিরেছেন বোলিং মার্কে, পরের বল করার জন্য। সিলেটে টেস্টের ৪র্থ দিনে বাংলাদেশের পুরো চিত্রটা এরকমই।
পুরো দিনে খেলা হয়েছে ৭৯ ওভার। তাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেয়েছে ৩৩৮ রান। ওভারপ্রতি ক্যারিবিয়ানরা তুলেছে ৪ দশমিক ২৭ রান। আর উইকেটপ্রতি রান এসেছে ১১২ এর বেশি। টেস্টের হিসেবে বাংলাদেশের বোলারদের দিন ঠিক কতটা খারাপ গেছে, তা এই সংখ্যাতেই স্পষ্ট হয়ে যায়।
শুরুতে ব্রেন্ডন কিং এবং জশুয়া ডি সিলভারা শাসন করেছেন। এরপর কাভেম হজ আর কেভিন উইকহ্যাম সেটাকে টেনে নিয়ে গেছেন অত্যাচারের পর্যায়ে। সারাদিন বোলাররা বল করেছেন, ফিল্ডাররা বল কুড়িয়ে আক্ষেপ করেছে। আর উইন্ডিজ ব্যাটাররা কেড়ে নিয়েছেন ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন।
পিচ থেকে সাহায্য না পেলে বাংলাদেশের বোলাররা ঠিক কতটা অসহায় সেটারই সাক্ষী হয়ে থাকলো সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিন। সকালের সেশনে মিরাজ এবং তাইজুল একটি করে উইকেট পেয়েছেন।
শেষ বিকেলে তাইজুল আরও একবার আনন্দের উপলক্ষ এনে দিয়েছেন। তবে, উইকেটের প্রশ্নে বোলারদের চেয়ে ফিল্ডারদের কৃতিত্বটাই ছিলো বেশি। দিনশেষে হজ-জাঙ্গুরা ফেরার সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোর ৩ উইকেটে ৩৪৫ রান। লিড ৩১৫ রানের।
কাল টেস্টের ৫ম দিন। সকালে কিছুটা সময় ব্যাট করে বাংলাদেশকে বড় লক্ষ্য দিলে আরও একটা হার-ই হয়ত অপেক্ষা করছে। ৫ম দিনে সাবধানী ক্রিকেটে ম্যাচ বাঁচানোর দিকেই তাই মনোযোগ বেশি থাকবে ফিল সিমন্স শিষ্যদের।





