লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। ২৭ মিনিটে ইরানের তারকা ফরোয়ার্ড মেহদি তারেমি প্রথমার্ধে বল জালে জড়ালেও ভিএআরের সিদ্ধান্তে গোলটি বাতিল হয়।
অন্যদিকে একের পর এক আক্রমণ করেও ইরানের গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দকে পরাস্ত করতে পারেনি বেলজিয়াম। দুর্দান্ত ৭টি সেভ করে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক পয়েন্ট নিশ্চিত করেন তিনি।
ম্যাচের ৬৬ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বেলজিয়ামের ডিফেন্ডার নাথান এনগয়। এরপর ১০ জনের দল নিয়ে বাকি সময় লড়তে হয় ইউরোপিয়ান দলটিকে। শেষ পর্যন্ত কোনো দলই গোলের দেখা না পেলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়ে ইরান ও বেলজিয়াম। গ্রুপ-জির শেষ ম্যাচের আগে জমে উঠেছে নকআউট পর্বে ওঠার হিসাব-নিকাশ।
আরেক ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। ম্যাচের ২১ মিনিটে কেভিন পিনার গোলে এগিয়ে যায় কেপ ভার্দে। দ্রুতই ম্যাচে ফেরে উরুগুয়ে। ৪৪ মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ক্যানোব্বিওর গোলে ব্যবধান ২-১ করে উরুগুয়ে।
তবে শেষ পর্যন্ত হার মানেনি নবাগত দলটি। চাপ ধরে রেখে ম্যাচের ৬১ মিনিটে হেলিও ভারেলা করেন সমতাসূচক গোল।
প্রথম ম্যাচে স্পেনের পর দ্বিতীয় ম্যাচে উরুগুয়ে। অভিজ্ঞতার বিপরীতে লড়াকু মানসিকতায় দারুণ এক ফল তুলে নিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানিয়ে দিলো নবাগত কেপ ভার্দে।





