মেসিবিহীন যুগে আর্জেন্টিনা। একটা প্রজন্ম যেটি ভাবতেও পারেনি; চোখের সামনে সেটিই হচ্ছে। তার ওপর বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের পর নিজেদের কতটা গুছিয়ে নিয়েছে দলটি সেটিও দেখার অপেক্ষা ছিলো। হারের ক্ষত কিংবা ক্যাপ্টেনকে হারানো, সব যন্ত্রণাই সারিয়ে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা নবপ্রজন্মের। বলিভিয়ার বিপক্ষে দাপুটে জয়ে আর্জেন্টিনা উতরে গেছে এসব চ্যালেঞ্জ।
আলবিসেলেস্তের পাশাপাশি গোটা দুনিয়া অপেক্ষায় লিওনেল মেসিকে বিদায় জানাতে। তবে তার আগে আরও একবার মাঠে নামছেন লওতারো-আলভারেজ-নিকো পাজরা। মনুমেন্তালে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছেন আফ্রিকান দল বুরকিনা ফাসোকে। যাদের বিপক্ষে কখনোই খেলা হয়নি আকাশী-সাদাদের।
যদিও ম্যাচে নামার আগে দুশ্চিন্তার কিছু নেই লিওনেল স্ক্যালোনি বাহিনীর। এ ম্যাচে নামার আগে তাদের সঙ্গী হচ্ছে দারুণ এক পরিসংখ্যান। আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে টানা ৭ বছর আর ২০ ম্যাচের সবক’টিতে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। ঐতিহাসিক এক মুহূর্তের সামনে দাঁড়িয়ে মোমেন্টাম হারাতে চাইবে না দলটি।
আরও পড়ুন
আফ্রিকান দলটা বল দখলে রাখার চেয়ে আক্রমণে বেশি মনোযোগী। যদিও তাদের প্রেসিং ফুটবল সাম্প্রতিক সময়ে খুব বেশি কার্যকর হচ্ছে না। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সবশেষ ৫ ম্যাচে কেবল একটি জয়ের দেখা পেয়েছে ফিফা র্যাংকিংয়ে ৬২ নম্বরে অবস্থান করা বুরকিনা ফাসো। আর্জেন্টাইনদের বিপক্ষে প্রথম দেখায় তাদের কৌশল কেমন হয় সেটিও দেখার বিষয়।
পরের ম্যাচটা বিদায়ের হলেও, এ ম্যাচে দরজা খোলা থাকছে লিওনেল মেসির জন্য। চাইলে খেলতে পারবেন তিনিও। যদিও আর্জেন্টাইন মহাতারকা মাঠে নামবেন কি না সেটি এখনও নিশ্চিত নয়।
বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচেই রোমান ভেগা, ভ্যালেন্তিন গোমেজসহ ৫ প্রতিভাবান তরুণের গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি জড়িয়েছেন স্ক্যালোনি। দল পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এ ম্যাচেও দেখা যেতে পারে বেশকিছু নতুন মুখ। অভিষেক হতে পারে ম্যাতিয়াস সুল, সান্তিয়াগো ক্যাস্ত্রো ও থমাস পালাসিওসের। তবে আগের ম্যাচে হালকা ইনজুরিতে পড়ায় শুরুর একাদশ থেকে বাদ পড়তে পারেন লওতারো মার্তিনেজ।
একাদশ কিংবা কৌশল যাই হোক, ঘরের মাঠে জয়টাই একমাত্র চাওয়া হবে স্ক্যালোনির দলের।





