১৪ বছর পর অ্যানফিল্ডে আর্সেনালের হাসি

আর্সেনালের জয়
ফুটবল
এখন মাঠে
0

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ১৪ বছর পর অ্যানফিল্ডে জয় পেয়েছে আর্সেনাল। এই জয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা উঠে এসেছে টেবিলের শীর্ষে। অন্যদিকে লা লিগায় সহজ জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। রেসিং সান্তান্দারের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে গোল করেছন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই জয়ে সমান ১১ ম্যাচ খেলে টেবিলে বার্সার সঙ্গে মাদ্রিদের ব্যবধান এখন তিন পয়েন্টের।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ১৪ বছরের ইতিহাস পাল্টেছে মিকেল আর্তেতার শীষ্যরা। লিভারপুলের ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে ১-০ গোলের জয় পেয়েছে আর্সেনাল। ম্যাচের ১৬ মিনিটে করা কাই হাভার্টজের একমাত্র গোলে জয়ে পর, টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের ১৬ মিনিটেই এগিয়ে যায় আর্সেনাল। ডেক্লান রাইসের নিচু ক্রস থেকে কাছাকাছি অবস্থান নিয়ে বল জালে পাঠান হ্যাভার্টজ। মাঝ সপ্তাহে লিগ কাপে সুযোগ নষ্টের কারণে সমালোচিত হওয়া এই জার্মান ফরোয়ার্ড গুরুত্বপূর্ণ সময়ে গোল করে সমালোচনার জবাব দেন। গোল হজমের পর ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে লিভারপুল। একের পর এক আক্রমণে আর্সেনালের রক্ষণকে চাপে ফেলে তারা। তবে প্রথমার্ধে সমতা ফেরানো সম্ভব হয়নি স্বাগতিকদের।

প্রথমার্ধে একটি পেনাল্টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। বারকোলার ক্রস থেকে বল পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন ইসাক। এ সময় পেছন থেকে তাকে টেনে ধরেন আর্সেনালের ইউরিয়েন টিম্বার। ইসাক পড়ে না যাওয়ায় পেনাল্টি দেননি রেফারি। ম্যাচ শেষে ঘটনাটিকে পরিষ্কার পেনাল্টি বলে দাবি করেন লিভারপুল কোচ আন্দোনি ইরাওলা।

এ ছাড়া উইর্টজের ফ্রি কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেডও অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বিরতির পরও আক্রমণের চেষ্টা চালায় লিভারপুল। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাদের আক্রমণের ধার কমে আসে।

সমান ৯ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে ম্যান সিটির চেয়ে ৩ পয়েন্ট এগিয়ে গানাররা। আর ঘরের মাঠে এই ম্যাচ হেরে টেবিলের পাঁচ এ অবস্থান লিভারপুলের।

অন্যদিকে রেসিংয়ের সন্তান্দারের মাঠে ফেভারিট হয়েই মাঠে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের শুরু থেকেই মাঠে দেখা গেল তার প্রভাবও। একের একের পর এক আক্রমণে বিধ্বস্ত করতে থাকে স্বাগতিকদের। ম্যাচের দশম মিনিটেই পেনাল্টি পায় মাদ্রিদ। এমবাপ্পে করেন নি ভুল, তুলে নিয়েছেন চলতি মৌসুমের তার ১৫তম গোল।

মিনিট দশেক অপেক্ষা করতে হয় দ্বিতীয় গোল পেতে। এবার আর্দা গুলেরের নিখুঁত এক পাস থেকে গোল কিপারকে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়ান মিডফিল্ডার জুড বেলিংহাম। যেটি ছিলো তার মাদ্রিদের জার্সিতে ৫০তম গোল।

তৃতীয় গোলটি আসে ইয়ান দিয়ামান্দের পা থেকে। কর্নার কিক থেকে ভেসে আসা বল রেসিং ডিফান্ডার হেড দিয়ে ফিরিয়ে দিলে ডি বক্সের বাইরে থেকে রকেট সটে বল জালে জড়ান আইভরিকোষ্টের এই স্ট্রাইকার।

প্রথমার্ধে ৩-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যাওয়া রিয়াল মাদ্রিদ দেখছিল বড় জয়ের স্বপ্ন, তবে দ্বিতীয়ার্দে কেবল চেষ্টাই করে গেছেন এমবাপ্পে-বেলিংহামরা। শেষ পর্যন্ত সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে প্রথমমার্ধের সেই তিন গোলেই। এই জয়ে রিয়ালের অবস্থান টেবিলের তিনে। সমান ১১ ম্যাচ খেলে লস ব্ল্যাঙ্কসদের উপরে ৩০ পয়েন নিয়ে বার্সেলোনা, আর ২৮ পয়েন্টে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ আছে দ্বিতীয় স্থানে।


জেআর