জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে নেমেছে ২০তম এশিয়ান গেমসের পর্দা। জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অনুষ্ঠিত এবারের আসরে দুই সপ্তাহের মহাযজ্ঞে অংশ নেয় এশিয়ার ৪৫ দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১১ হাজার ক্রীড়াবিদ। মোট ৪৩টি খেলার ৭১ ডিসিপ্লিনে হয়েছে ৪৬৯টি পদকের লড়াই।
৪৫টি দেশের মাঝে অন্তত একটি পুরস্কার জিতে পদক তালিকায় নাম তুলেছে ৩৭টি দেশ। যেখানে প্রতিবারের মতো এবারও দেখা গেছে চীনের রাজত্ব। ১৬৯ স্বর্ণসহ মোট ৩৪১ পদক নিয়ে শীর্ষে তারা। জাপান ৮৩ স্বর্ণসহ ২৬৯ পদক নিয়ে দ্বিতীয় এবং ৩৯ স্বর্ণসহ ১৫০টি পদক নিয়ে তৃতীয় হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। শীর্ষ পাঁচের অপর দুই দল যথাক্রমে ভারত ও উজবেকিস্তান।
১৮৭ জনের বিরাট বহর ও ২২টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের অর্জন মাত্র একটি ব্রোঞ্জ। উশুর নারী ৫২ কেজি ফাইট ইভেন্টে জিন্নাত আক্তারের হাত ধরে আসা সেই পদকেও ছিল ভাগ্যের ছোঁয়া। যদিও এই পদক দিয়েই মিটেছে ব্যক্তিগত ইভেন্টে বাংলাদেশের ৪০ বছরের অপেক্ষা।
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা ছিল ক্রিকেটে। এই আসরে একমাত্র স্বর্ণপদকটি এসেছিল খেলাটির হাত ধরে। সবশেষ ৪ আসরেও ক্রিকেটে এসেছিল পদক। তবে এবার সেরা দল নিয়েও শূন্য হাতে ফিরেছেন লিটন দাসরা। নারী দলও দেশে ফিরেছে পদক ছাড়া।
সম্ভাবনা জাগিয়েও সুযোগ হাতছাড়া করেছে পুরুষ কাবাডি দল। ফুটবল, হকি, আর্চারি, শুটিং, অ্যাথলেটিকস কোনো ইভেন্টেই আসেনি সাফল্য। পদক তালিকায় বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে ছিল নেপাল। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান ১০টি এবং শ্রীলঙ্কা ৩টি পদক জিতেছে। আরেক প্রতিবেশী মায়ানমার পেয়েছে ৫টি পদকের স্বাদ।
জাপানের তৃতীয় এশিয়ান গেমসে বেশকিছু নতুন ডিসিপ্লিন যুক্ত হয়েছিল। তবে খেলার বাইরে অ্যাথলেটদের যাতায়াত এবং গেমস ভিলেজের ব্যবস্থাপনা নিয়ে ছিল নানা অভিযোগ। এসবের মাঝেই বিদায় নিয়েছে এবারের আসর।





