দাস বাণিজ্যের রুট থেকে বিশ্বকাপের মহামঞ্চ; যেমন ছিলো কেপ ভার্দের উত্থান

কেপ ভার্দের ফুটবলাররা
বিশ্বকাপ , ফুটবল
এখন মাঠে
1

দাস বাণিজ্যের রুট থেকে বিশ্বকাপ। আফ্রিকান দেশ কেপ ভার্দের ইতিহাস আর ফুটবল একেবারেই ভিন্ন দুই গল্প। তবে, গেল এক দশকে পরিকল্পিত ছকে এগিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। যার ফল হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে ৪৮ দেশের একটি তারা। কেমন ছিলো এই আফ্রিকান দেশটির উত্থান?

ইতিহাস গড়ার একেবারেই দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আটলান্টিক সাগরের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে থাকা কেপ ভার্দে। আসল নাম কাবো ভার্দে হলেও বৈশ্বিকভাবে কেপ ভার্দে নামেই বেশি পরিচিত পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে থাকা দেশটি। ১০টি দ্বীপ আর ৯টি ভিন্ন জাতিস্বত্ত্বার এই দ্বীপ রাষ্ট্রটি আজ প্রথমবার নামছে বিশ্বকাপের বড় আসরে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ইউরোপিয়ান জায়ান্ট স্পেন। আফ্রিকা মহাদেশের ১৪তম দেশ হিসেবে বিশ্বকাপে অভিষেক হচ্ছে কেপ ভার্দের।

একসময় জনশূন্য থাকা এই দ্বীপগুলোতে পঞ্চদশ শতকে এসে ভিড় জমান পর্তুগালের নাবিকরা। সেখান থেকে এই ভূখণ্ড হয়ে ওঠে দাস চোরাচালানের মূল কেন্দ্র। এই কারণেই কেপ ভার্দেতে দেশে বসবাসকারী নাগরিকের চেয়ে প্রবাসী নাগরিকের সংখ্যা প্রায় তিনগুণ।

আরও পড়ুন:

আর এই প্রবাসী ফুটবলাররাই বদলে দিয়েছেন কেপ ভার্দের ফুটবল চিত্র। ২০১৫ সাল থেকেই পর্তুগাল থেকে বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের নিজেদের প্রজেক্টে আনতে শুরু করে দেশটি। একের পর এক আফ্রিকান জায়ান্টদের হারিয়ে উঠে এসেছে বিশ্বকাপের মূল পর্বে। গতিময় কাউন্টার অ্যাটাক আর জমাট রক্ষণ তাদের শক্তি। আর সেটা দিয়েই ক্যামেরুন কিংবা অ্যাঙ্গোলার মতো অভিজ্ঞ দলকেও বিশ্বকাপ থেকে বঞ্চিত করেছে তারা।

বাছাইপর্বে নিজেদের গ্রুপের সব ম্যাচেই জয় ছিলো কেপ ভার্দের। ৫ ম্যাচে একবারও হারতে হয়নি তাদেরকে। সাম্প্রতিক ফর্ম আর উচ্চাশা নিয়েই গ্রুপপর্বে স্পেন, উরুগুয়ে কিংবা সৌদি আরবের মুখোমুখি হবে দেশটি।

এসএইচ