অভিযুক্ত মুক্তা বেগম উপজেলার তন্তর ইউনিয়নের কাননীসার গ্রামের তোফায়েল খানের স্ত্রী। আহত শিশুটির নাম নাফিন খান। সে অভিযুক্ত দাদী মুক্তা বেগমের বড় ছেলে নিরব খাঁনের সন্তান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে কাননীসার গ্রামে পারিবারিক বিরোধের একপর্যায়ে মুক্তা বেগম তার দুই বছর বয়সী নাতি নাফিন খানকে দুই হাত দিয়ে তুলে এক নারীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে মাটিতে ছুড়ে ফেলেন।
এতে শিশুটির কোমরে আঘাত লাগে। পরে তার মা ও স্বজনরা শিশুটিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করান। হাসপাতালে ভর্তি করা হয় শিশুটিকে।
এদিকে শুক্রবার রাতে ঘটনাটির একটি ৩৬ সেকেন্ডের সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে, শিশুর প্রতি এমন নির্মমতার ঘটনায় অভিযুক্ত দাদীর বিচারের দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও স্থানীয়রা।
শিশুটির মা সোনালী আক্তারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই শাশুড়ি মুক্তা বেগম তাকে বিভিন্ন সময় মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। ঘটনার দিন তার ছেলেকে মাটিতে ছুড়ে ফেলার পর কান্নার শব্দ শুনে তিনি ছেলেকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় তার শ্বশুর ও স্বামী প্রতিবাদ করেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





