জানা যায়, গতকাল রাতে যাত্রীদের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পাঠানো মোবাইল ও অনলাইন বার্তায় বলা হয়েছিল, সিলেট স্টেশন থেকে রাত ১০টার উদয়ন এক্সপ্রেস ১ ঘণ্টা বিলম্বে রাত ১১টায় যাত্রা শুরু করবে।
তবে ট্রেনটি বিলম্ব না করে তার নির্ধারিত সময় রাত ১০টায়ই সিলেট স্টেশন থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। এদিকে ম্যাসেজ অনুযায়ী বিলম্বে সিলেট স্টেশনে আসা শতাধিক যাত্রী ট্রেনটি ধরতে পারেননি।
ট্রেনে যাত্রা করতে না পারা প্রায় শতাধিক যাত্রীর প্রতিবাদের কারণে উদয়ন ট্রেনটি রাত ১১টা ১৪ মিনিটে কুলাউড়া জংশন স্টেশনে এসে পৌঁছালেও প্রায় দুই ঘণ্টা দাড়িয়ে রাখা হয় যাত্রীদের জন্য।
সিলেটে আটকে পড়া যাত্রী মিনহাজ আহমদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘রেলওয়ে ভুল মেসেজ দিয়ে আমাদের হয়রানি করেছে। এখন মাঝরাতে অন্য ট্রেনে করে কুলাউড়া গিয়ে আবার ওই ট্রেন ধরতে হবে। এই ভোগান্তি ও দায়িত্বে অবহেলার দায় কে নেবে?’
এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে তাৎক্ষণিক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করে রেলওয়ের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। রাত সাড়ে এগারোটার দিকে কুলাউড়া স্টেশন সূত্রে জানানো হয়, সিলেট স্টেশনে আটকে পড়া উদয়ন এক্সপ্রেসের যাত্রীদের পরবর্তী ঢাকা অভিমুখী ‘উপবন এক্সপ্রেস’ (৭৪০)-এ তুলে দেয়া হয়।
কুলাউড়ায় প্রায় দুই ঘণ্টা অপেক্ষার পর রাত সোয়া একটার দিকে সিলেটে ফেলে আসা যাত্রীদের নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে উদয়ন এক্সপ্রেস।
কুলাউড়া জংশন রেলওয়ে ষ্টেশন মাষ্টার রোমান আহমদ জানান, শুক্রবার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রায় ৪ ঘণ্টা আটকে থাকে। ফলে সিলেট-চট্টগ্রামগামী ট্রেনের যাত্রা বিলম্ব হয় কিছুটা। সিডিউল সমস্যার কারণে মেসেজে আগেই যাত্রীদের জানানো হয়েছিল ভোগান্তি না পোহাতে।





