দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলসহ বিভিন্ন অঞ্চলে পানি ব্যবস্থাপনা, কৃষি ও পরিবেশের ক্ষেত্রে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট কমানো, কৃষিতে সেচ সুবিধা বাড়ানো আর সুন্দরবন রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প।
প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয়ে ২০৩৩ সালের জুনে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে পদ্মা ব্যারেজের খবরে আনন্দিত পাবনাবাসী। কৃষকরা বলছেন, অল্প খরচে চাষাবাদ করতে পারবেন তারা।
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদ-নদীতে পানির প্রবাহ বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা সংশ্লিষ্টদের। শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির প্রাপ্যতা বাড়লে উপকৃত হবেন কৃষকরা। এছাড়া প্রকল্পটি ঘিরে রয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন, নৌপরিবহন, সড়ক ও রেলপথ এবং আঞ্চলিক অর্থনীতির বিকাশের সম্ভাবনাও।
আরও পড়ুন:
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে পাবনার বড়াল ও ইছামতীসহ বিভিন্ন নদীর প্রবাহ ও নাব্যতা পুনরুদ্ধারে সহায়ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পানি ব্যবস্থাপনায় সুবিধা তৈরির কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া-কাঞ্চন পার্ক এলাকায় প্রস্তাবিত প্রকল্প পরিদর্শন করেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। ২০২৭ সালের শুরুর দিকে প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘এই প্রকল্পের সময় ৭ বছর বা এর কিছু কম-বেশি লাগতে পারে। এটা শেষ করার জন্য আমরা খুব দায়িত্ব নিয়ে কাজ করবো। আমাদের যারা বিশেষজ্ঞ দল আছে, তারা সরেজমিনে এই প্রকল্পটা দায়িত্ব নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যাবেন।’
সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৭ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন।





