এর আগে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল (সোমবার, ৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাখনা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আতিকুল ইসলাম উপজেলার উত্তর মাখনা গ্রামের মৃত ইসমাইলের ছেলে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মার্চ বিকেলে কৃষক বাচ্চু মিয়া হাওরে নিজের বোরো জমি দেখতে যান। তখন কয়েকজন ব্যক্তি গরু দিয়ে তার জমির ধান নষ্ট করছেন। তিনি গরুগুলো সরিয়ে নিতে বললে আসামিদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়।
আরও পড়ুন:
একপর্যায়ে আসামিরা বাচ্চু মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় মামলার প্রধান আসামি আতিকুল ইসলাম হাতে থাকা কাঠের মুগুর দিয়ে বাচ্চু মিয়ার মাথায় সজোরে আঘাত করেন। এতে তার কপালের বাম পাশে গুরুতর জখম হয় এবং তিনি ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে নিতে চিকিৎসা তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহত কৃষকের পরিবারের পক্ষ থেকে মদন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন প্রধান আসামি আতিকুল ইসলাম।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হাসানুর রহমান জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করে উপজেলার মাখনা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আর মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাহউদ্দীন করিম বলেন, ‘কৃষক বাচ্চু মিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি আতিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’





