যুক্তরাজ্যে সদ্য সমাপ্ত স্থানীয় নির্বাচনে ছিলো না খুব একটা ভোটার উপস্থিতি। সামাজিক নিরাপত্তা, কাউন্সিল, ট্যাক্স, হাউজিং, স্থানীয় সেবার মান ও পরিচ্ছন্নতা—এসব বিবেচনাতেই ভোটাররা ভোট দিয়েছেন। নতুন কাউকে চিন্তা করছি, যারা আমাদের জন্য কাজ করবে এমনটাই জানান প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
আরও পড়ুন
স্থানীয় নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীদের অংশগ্রহণও বাড়ছে ধারাবাহিকভাবে। বিভিন্ন কাউন্সিলে তাদের সক্রিয় উপস্থিতিকে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশিষ্টজনেরা। তাদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ে এই রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী ও নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব তৈরি করবে।
যুক্তরাজ্য রাজনীতিবিদ খসরুজ্জামান খসরু বলেন, ‘এখানে বাঙালি কমিউনিটির অনেক লোক আছে। তাদের উচিত সবার ভোট দেয়া। কেননা নিজেদের কমিউনিটির উন্নয়নের জন্য।’
ইংল্যান্ডজুড়ে পাঁচ হাজারের বেশি কাউন্সিল আসনে ভোটকে কেন্দ্র করে চাপে রয়েছে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি। ভোটারদের রায়ে বড় ধাক্কার আশঙ্কা করছেন দলীয় নেতারা। অন্যদিকে কিয়ার স্টারমারের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের আশা করছে রিফর্ম ইউকে এবং গ্রিন পার্টি। পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পেতে স্থানীয় সময় আজ (শুক্রবার, ৮ মে) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্তও অপেক্ষা করতে হতে পারে।





