কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ:
এ ব্রিফিংয়ের সংকেত দিচ্ছে যে, ট্রাম্প আবারও ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। এর মূল উদ্দেশ্য হতে পারে শান্তি আলোচনার অচলাবস্থা ভেঙে তেহরানকে নমনীয় হতে বাধ্য করা অথবা যুদ্ধ শেষ করার আগে দেশটিকে বড় কোনো ধাক্কা দেওয়া।
নেপথ্যের পরিকল্পনা:
সংশ্লিষ্ট তিনটি সূত্র জানিয়েছে, সেন্টকম একটি ‘স্বল্পমেয়াদি কিন্তু শক্তিশালী’ বিমান হামলার পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এই পরিকল্পনায় মূলত ইরানের বিভিন্ন অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে, যাতে আলোচনার টেবিলে তেহরান তাদের পরমাণু ইস্যুতে ছাড় দিতে রাজি হয়।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা হলো হরমজ প্রণালির একটি অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেওয়া, যাতে সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু করা যায়। একটি সূত্রের মতে, এই অভিযানে স্থলবাহিনীর প্রয়োজন হতে পারে। এ ছাড়া ইরানের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কবজায় নিতে স্পেশাল ফোর্সের মাধ্যমে বিশেষ অভিযানের পরিকল্পনাও আলোচনায় আসতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতি:
বুধবার ট্রাম্প এক্সিওসকে জানিয়েছেন, তিনি মনে করেন বোমাবর্ষণের চেয়ে নৌ-অবরোধ ‘কিছুটা বেশি কার্যকর’। বর্তমানে তিনি এই অবরোধকেই তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টির প্রধান অস্ত্র হিসেবে দেখছেন। তবে সূত্রগুলো বলছে, ইরান যদি এরপরও ওয়াশিংটনের দাবিগুলো মেনে না নেয়, তবেই তিনি সামরিক অভিযানের পথে হাঁটবেন। মার্কিন সামরিক পরিকল্পনাকারীরা এটাও মাথায় রাখছেন যে, নৌ-অবরোধের পাল্টা জবাবে ইরান ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা চালাতে পারে।
আগামীকালের এই ব্রিফিংয়ে জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ঠিক একইভাবে ট্রাম্পকে একটি ব্রিফিং দিয়েছিলেন কুপার, যার দুই দিন পরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করেছিল।





