সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে রেজাই বলেন, ‘আমেরিকা সামনাসামনি আলোচনায় যা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে, হেরে যাওয়া যুদ্ধে তারা সেটাও পাবে না। ইরানের আঙুল এখন ট্রিগারে এবং আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।’ তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি নতি স্বীকার না করে বা প্রয়োজনীয় ছাড় না দেয় এবং তাদের ‘অনুচররা’ কোনো ধরনের শয়তানি করার চেষ্টা করে, তবে ইরান অত্যন্ত কঠোর ও অনুশোচনামূলক জবাব দেবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই দেশটির সংবাদ সংস্থা ইসনাকে জানিয়েছেন, মার্কিন প্রস্তাবটি এখনো তেহরানের পর্যালোচনায় রয়েছে। পর্যালোচনা শেষ হলে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে নিজেদের মতামত জানানো হবে। ইসনার প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটনের প্রস্তাবে কিছু ‘অতিরিক্ত ও অবাস্তব’ দাবি রয়েছে যা ইরানের কর্মকর্তারা এরই মধ্যে প্রত্যাখ্যান করেছেন। বর্তমানে ইরান কেবল ‘যুদ্ধ বন্ধের’ বিষয়টি নিয়ে ভাবছে, পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে এখন কোনো আলোচনা হচ্ছে না।
এদিকে অ্যাক্সিওসের দাবি, ওয়াশিংটন আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তেহরানের জবাব আশা করছে। ওই প্রস্তাবের একটি শর্ত ছিল ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি ‘সম্মত হওয়া বিষয়গুলো’ মেনে না নেয়, তবে পুনরায় যুদ্ধ শুরু করা হবে। যদিও সেই ছাড়গুলো আসলে কী, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।





