স্যাটেলাইট চিত্রে কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটির একটি আশ্রয়কেন্দ্র ধ্বংস হতে দেখা গেছে। সোর অ্যাটলাস জানিয়েছে, ঘাঁটির আশপাশের এলাকা পুড়ে কালো হয়ে গেছে এবং সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার ফলে সৃষ্ট বেশ কিছু বড় গর্ত দৃশ্যমান।
সেন্টকম এক বিবৃতিতে বলেছিল, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলো লক্ষ্য করে বেশ কিছু ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল, তবে সেগুলো ‘লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ’ হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, কুয়েত লক্ষ্য করে ছোঁড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে ভেঙে পড়ে এবং বাহরাইন লক্ষ্য করে ছোঁড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র সঙ্গে সঙ্গে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়।
তবে কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার জানিয়েছে, একঝাঁক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও কূটনৈতিক মিশনগুলোতে আঘাত হেনেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় একজন ভারতীয় নাগরিক নিহত এবং আরও ৬০ জন আহত হয়েছেন। বিমানবন্দরের ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, টার্মিনাল-১ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ছাদ ধসে পড়ার পাশাপাশি সেখান থেকে আগুনের কুণ্ডলী ও ধোঁয়া বের হচ্ছে।
এই হামলার পর কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সউদ আল-ওতায়ান একে ‘ইরানের অপরাধমূলক আগ্রাসন’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, কুয়েত বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের ঘটনাটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গোলযোগের কারণে ঘটেছে। তবে সেন্টকম তাৎক্ষণিকভাবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। এছাড়া ইরানের আধাসরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কুয়েত বিমানবন্দরে কোনো হামলা চালায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরানের এই দাবি মিথ্যা এবং তারা পরিকল্পিতভাবেই বিমানবন্দরে এই হামলা চালিয়েছে।





